<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222</id><updated>2011-07-08T06:03:00.116+06:00</updated><title type='text'>Noakhali Web (www.noakhaliweb.com.bd)</title><subtitle type='html'>Your community, Your news | Most popular bangla online newspaper</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>22</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-4200645948053530125</id><published>2010-08-10T11:04:00.000+06:00</published><updated>2010-08-10T11:04:33.943+06:00</updated><title type='text'>নোয়াখালী ওয়েব পৃষ্ঠপোষক পরিষদের প্রথম সদস্য মোহাম্মদ কাজল</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDdzxfl2XI/AAAAAAAAAG0/j6YNH4HmgWo/s1600/kazal.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDdzxfl2XI/AAAAAAAAAG0/j6YNH4HmgWo/s320/kazal.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;মোহাম্মদ কাজল। কাজল নামেই যিনি সর্বাধিক পরিচিত। জীবন ও জীবিকার তাগিদে প্রবাসে জীবন-যাপন করলেও সমাজ ও দেশমাতৃকার জন্য এই তরুণ যুবকটির অবদান সত্যিই অনস্বীকার্য। দেশের অসহায় ও ক্ষুধাপীড়িত মানুষদের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর আজন্ম স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রত্যয়েই তিনি অন্যের চাকুরীর পরিবর্তে ব্যবসাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেচে নিয়েছিলেন। স্থানীয় বসুরহাট বাজারে ‘শতরূপা’ নামের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু হলেও তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তা ছিল নিতান্তই অপ্রতুল। অবশেষে তাঁর লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যেই তিনি ১৯৯৫ সালের জানুয়ারী মাসে পাড়ি দেন সুদূর আমেরিকায়। যেখানে আজ সে একজন অন্যতম সফল ব্যবসায়ী। পাশাপাশি জন্মভূমির জন্যও দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী একজন কৃর্তীমান সমাজ সেবক। &lt;br /&gt;জন্ম ও শিক্ষা: পৈত্রিক নিবাস নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদনগর গ্রামে ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ কাজল। পিতা আলহাজ্ব সুলতান আহাম্মদ এবং মাতা আনোয়ারা বেগম। তার বাবা আলহাজ্ব সুলতান আহমেদ বসুরহাট বাজারের একজন নামকরা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি বাবা-মায়ের ২য় সন্তান। প্রকৃতির অকৃত্রিম মায়া আর মমতায় ঘেরা গ্রাম মোহাম্মদনগরেই কেটেছে তাঁর শৈশব ও কৈশর। সেখানে মানিকপুর হাইস্কুলে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় এবং একই স্কুল থেকে ১৯৮৮ সালে তিনি কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেন। অতঃপর বসুরহাট সরকারী মুজিব কলে থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে বিএ পাস করেন। বর্তমানে বসুরহাট টিএন্ডটি রোডে তার তৈরি আধুনিক বহুতল বাড়িতে তার পরিবারের সদস্যরা বসবাস করছেন। এছাড়া পৌর মার্কেট সংলগ্ন নিজেদের খাজা মার্কেট ও খাজা বেকারী তার বাবা ও ছোট ভাইয়েরা সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অর্থের প্রয়োজনীয়তা ছাত্রজীবন থেকেই তিনি তীব্রভাবে উপলব্দি করতে থাকেন। তাই সময়ের দাবীতেই শিক্ষা জীবনের ইতি টেনে ১৯৯২ সালে বসুরহাট বাজারে ‘শতরূপা’ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মধ্য দিয়েই তিনি কর্মজীবনের সূত্রপাত করেন। কিন্তু ঐ ব্যবসায় তার প্রয়োজন আর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ছিল অসঙ্গতিঁপূর্ণ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবশেষে ১৯৯৫ সালে তিনি পাড়ি জমান আটলান্টিকের ওপারে স্বপ্নের দেশ আমেরিকায়। অনেক কষ্ট আর ত্যাগ তিতিক্ষার পর ১৯৯৮ সালে তিনি আমেরিকার মেরিল্যান্ড স্টেটের বাল্টিমোর শহরে সারাটোগা রোডে ‘বিছমিল্লাহ বডি ওয়েল এন্ড ভ্যারাইটি ষ্টোর’ নামে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। কালক্রমে তিনি আরো বড়ো আকারের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। যেগুলোর নাম ‘ফাতেমা মিনি মার্ট’ এবং ‘সারাটোগা বিউটি এন্ড বারবার সাপ্লাই’। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘বিছমিল্লাহ’ পড়ে কর্ম শুরু করলে তার প্রতি আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকত বর্ষিত হতে থাকে। যা বাল্যকালে মা-বাবা এবং মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে শিখানো হয়। তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে তরুণ যুবক মোহাম্মদ কাজলের জীবনে। ‘বিছমিল্লাহ’ নাম দিয়ে শুরু করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই তার ভাগ্যের চাকাতে পারোদমে ঘুরিয়ে দিয়েছে। সু-প্রসন্ন করে দিয়েছে তাঁর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ ও গতি। চাওয়া-পাওয়ার অনেক সিঁড়ি ডিঙ্গিয়ে আজ সে একজন সফল পুরুষ। বাবা মায়ের গর্বিত সন্তান। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পারিবারিক জীবন: নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার আমেরিকান প্রবাসী জনাব নূর হোসেনের ৫ম কন্যা ফাতেমা আক্তার সুমীর সাথে ১৯৯৯ সালের ১১ নভেম্বর মোহাম্মদ কাজল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০০৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের কোল জুড়ে আসে একমাত্র পুত্র সন্তান রায়হান আহমেদ। বর্তমানে সে আমেরিকার মেরিল্যান্ড স্টেটে ‘আর রাহমান ইসলামিক স্কুল’ এর প্রথম শ্রেণীর ছাত্র। মোহাম্মদ কাজল পরিবারের ৭ ভাই-বোনের মধ্যে ২য়। তার বড় এক বোন। ছোট তিন বোনসহ মোট চার বোনই ব্যক্তিগত জীবনের বিবাহিত এবং সুখী জীবনের অধিকারীনি। ছোট দুই ভাই নজরুল ইসলাম এবং কামরুল ইসলাম স্বপন বসুরহাটে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সমাজসেবা: মোহাম্মদ কাজলের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিজ বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘আলহাজ্ব সুলতান-আনোয়ারা ফাউন্ডেশন’। প্রতিষ্ঠার পর পরই তার মাধ্যমে তিনি ‘সখিনা খাতুন (দাদী)’র নামে ফ্রি ক্লিনিক চালু করেন। যার মাধ্যমে প্রতি শুক্রবারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মাধ্যমে গরীব ও অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে অদ্যাবধি এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সূচারুরূপে। আমাদের শিক্ষার মানোন্নয়ন তথা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ‘বসুরহাট একাডেমীর’ মাধ্যমে ২০০৬ সালে তিনি চালু করেন ‘আলহাজ্ব সুলতান আনোয়ারা স্কলারশীপ’। পূর্বে অন্য একটি প্রবাসী সংস্থা ঐ বৃত্তি প্রদান শুরু করলে তিনিও ঐ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে ঐ সংস্থাটি হাত ঘুটিয়ে নিলে ২০০৬ সাল থেকে মোহাম্মদ কাজল এককভাবে ‘আলহাজ্ব সুলতান আনোয়ারা ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমেই ঐ বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম এখনো চালিয়ে আসছেন। এই প্রকল্পের আওতায় তিনি প্রতি বছর ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর ২৫ জন করে ৭৫ জন এবং ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণী থেকে ২০ জন করে ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করে থাকেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর এই অনবদ্য ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনি বসুরহাটের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বসুরহাট একাডেমীর পরিচালক ও বসুরহাট নার্সিং হোমের প্রতিষ্ঠাতা পরিষদ সদস্য। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের একটি শিশুদের পড়ালেখা ও সঠিকভাবে গড়ে ওঠা এবং অপরটি এলাকার লোকজনকে সঠিক ও সল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোহাম্মদ কাজলের সমাজ সেবার আরেক অন্যতম নিদর্শন ‘বায়তুন নাজাত জামে মসজিদ’। গ্রাম বাংলার ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সুযোগ প্রদানের প্রত্যয়ে তিনি উত্তর পশ্চিম চরকাঁকড় গ্রামের (২নং ওয়ার্ড) কামলারপুল নামকস্থানে প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেন অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ‘বায়তুন নাজাত জামে মসজিদ কমপ্লেক্স’। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়াও স্বীয় জন্মস্থান কোম্পানীগঞ্জের সাহায্য প্রার্থী সকল দরিদ্র জনগণের ডাকে তিনি থাকেন সদা জাগরুক। মেয়ের বিয়ের জন্য কন্যা-দায়গ্রস্থ পিতা-মাতার আহ্বানে তার সাহায্যের হাত থাকে উন্মুক্ত। এলাকার অসহায় ও দরিদ্রদের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তিনি সাধ্যানুযায়ী আর্থিক সাহায্য করে আসছেন অকাতরে। উদার মনের এই তরুণ যুবক সুদূর আমেরিকাতেও আঞ্চলিক সংগঠন সমূহের সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশমাতৃকার ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের সার্বিক সেবা প্রদান করে আসছেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোহাম্মদ কাজল প্রবাসের অসংখ্য সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করে প্রবাসী বাঙালীদের কল্যাণে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি মেরিল্যান্ড বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পিলাভেলফিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট, নিউইয়র্কস্থ কোম্পানিগঞ্জ সমিতির সদস্য, গ্রেটার নোয়াখালী সমিতির সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটি সদস্য, ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সদস্য দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মে ২০১০ থেকে তিনি নোয়াখালী ওয়েবের পৃষ্ঠপোষক পরিবারে সম্পৃক্ত হয়ে পত্রিকাটির কল্যাণে নিয়মিত সহযোগিতা দিয়ে আসছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশ ও দেশের দরিদ্র জনগণের পরম হীতাকাঙ্ক্ষী এই কৃর্তীমান যুবক তার স্বপ্ন পুরণে দূর্বার গতীতে এগিয়ে চলুক এবং তাঁর এই উদ্দীপনা ও কর্মচাঞ্চল্যতা এবং সাহায্যের হাত উত্তরোত্তর সম্প্রসারিত হোক। সৃষ্টিকর্তার নিকট এই প্রার্থনাই আমাদের সকলের। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সম্পাদনায়: ইকবাল হোসেন মজনু, নির্বাহী সম্পাদক, নোয়াখালী ওয়েব। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&amp;amp;newsId=8334"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&amp;amp;newsId=8334&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-4200645948053530125?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/4200645948053530125/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=4200645948053530125' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4200645948053530125'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4200645948053530125'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2010/08/blog-post_8940.html' title='নোয়াখালী ওয়েব পৃষ্ঠপোষক পরিষদের প্রথম সদস্য মোহাম্মদ কাজল'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDdzxfl2XI/AAAAAAAAAG0/j6YNH4HmgWo/s72-c/kazal.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-2726787506086506272</id><published>2010-08-10T11:00:00.001+06:00</published><updated>2010-08-10T11:05:27.564+06:00</updated><title type='text'>নোয়াখালী ওয়েব’র পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য হওয়ার জন্য করণীয়</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDc_KJT95I/AAAAAAAAAGs/8liTmyk0G_Q/s1600/support.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDc_KJT95I/AAAAAAAAAGs/8liTmyk0G_Q/s320/support.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;‘নোয়াখালী ওয়েব’ বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির একমাত্র অনলাইন পত্রিকা। যা দেশে-বিদেশে এ কমিউনিটির মানুষকে দীর্ঘ ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিনামূল্যে সংবাদ ও তথ্য সেবা দিয়ে আসছে। তথ্য নির্ভর ডিজিটাল পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’কে টেকসই এবং আরও অগ্রসর করার লক্ষ্যে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির প্রতিষ্ঠিত ও ভালো মন-মানসিকতার অধিকারী লোকজনদের সমন্বয়ে একটি পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠনের উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্যদের করণীয়/সুবিধাঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। একজন পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য নোয়াখালী ওয়েব কে বাৎসরিক ১,২০,০০০/- (একলক্ষ বিশ হাজার টাকা) অনুদান হিসাবে নোয়াখালী ওয়েব এর নামে ক্লিয়ারিং চেক অথবা ব্যাংক ডিপোজিট (ক্যাশ / টিটি) এর মাধ্যমে প্রদান করিবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যদের অনুদানের টাকা বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনার ভিত্তিতে নোয়াখালী ওয়েব এর কারিগরী ব্যবস্থাপনা, টিম ও অফিস ব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, জাতীয় পর্যায়ে কমিউনিটির বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক সেমিনার/গোলটেবিল আলোচনা, স্থানীয় পর্যায়ে তিন জেলায় তথ্য প্রযুক্তির উপর সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান, বার্ষিক ক্যালেন্ডার, পোষ্টার এবং স্টিকার প্রকাশ ও বন্টন, টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নোয়াখালী ওয়েব’র সার্বিক কল্যাণে ব্যয় করা হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩। অনুদান প্রদানকারী নোয়াখালী ওয়েব’র পৃষ্ঠপোষক পরিবারের একজন সম্মানিত সদস্য হিসাবে মনোনীত হবেন। ফলে নোয়াখালী ওয়েব’র সাইটে পৃষ্ঠপোষক পরিষদ তালিকায় সদস্যের নাম অন্তভূক্তি ছাড়াও তার পূর্নাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত প্রকাশিত হবে; যা সারা বছরজুড়ে নোয়াখালী ওয়েব’র পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়াও নোয়াখালী ওয়েব এর যেসব প্রকাশনা বের হবে সেখানেও পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশিত হবে। (কিন্তু কোন সদস্য ব্যক্তিগত/সামাজিক কিংবা যেকোন কারণে নাম প্রকাশে ইচ্ছুক না হলে নাম প্রকাশ করা হবে না অর্থাৎ সদস্যের ইচ্ছার বাস্তবায়ন করা হবে)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪। একজন পৃষ্ঠপোষক তার পেশাগত ও সামাজিক কর্মকান্ডের খবরাখবর নোয়াখালী ওয়েব এ প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবেন। তবে নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদকীয় নীতির বাহিরে উদ্দেশ্যমূলক কোন খবর প্রকাশ করবেনা/প্রকাশ করতে বাধ্য হবে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের একজন সদস্য নোয়াখালী ওয়েব এর কমন এ্যাড ক্যাটাগরীতে (নোয়াখালী ওয়েব’র নির্ধারিত জায়গায়) নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা সামাজিক সংগঠনের একটি বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ বিনামুল্যে প্রকাশের সুযোগ পাবেন। এছাড়া নোয়াখালী ওয়েব ম্যাগাজিন/অনলাইনে ৫০% কম মূল্যে বিজ্ঞাপন প্রকাশের সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের একজন সদস্য নিজের যেকোন ব্যবসায়িক/সামাজিক কর্মকান্ডে নোয়াখালী ওয়েবকে ‘অনলাইন মিডিয়া পার্টনার’ হিসাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে লাইভ নিউজ আপডেট কিংবা লাইভ ভিডিও কাস্টিং সুবিধা পেতে হলে অনুষ্ঠানের ধরন বুঝে বিশেষ শর্ত প্রযোজ্য হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের বাহিরে বৃহত্তর নোয়াখালীর যেকোন লোক নোয়াখালী ওয়েবকে সহযোগিতা করতে পারবেন এ জন্য ওয়েব সাইটের বামপাশে একটি ফরম সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। যেকোন ব্যক্তি ফরমটি ডাউনলোড করে নির্ধারিত ছকে তার সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার সুযোগ পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালী ওয়েব’র অফিসিয়াল একাউন্ট:&lt;br /&gt;নোয়াখালী ওয়েব&lt;br /&gt;সি/এ নং-২০৩৫&lt;br /&gt;ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ&lt;br /&gt;পল্টন শাখা&lt;br /&gt;ঢাকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&amp;amp;newsId=8333"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&amp;amp;newsId=8333&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-2726787506086506272?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/2726787506086506272/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=2726787506086506272' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/2726787506086506272'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/2726787506086506272'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2010/08/blog-post_6252.html' title='নোয়াখালী ওয়েব’র পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য হওয়ার জন্য করণীয়'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDc_KJT95I/AAAAAAAAAGs/8liTmyk0G_Q/s72-c/support.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-2447536449221260864</id><published>2010-08-10T09:50:00.000+06:00</published><updated>2010-08-10T09:50:24.531+06:00</updated><title type='text'>বর্ণাঢ্য উৎসবে বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলায় 'নোয়াখালী ওয়েব’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন</title><content type='html'>নোয়াখালী :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMPHt0iMI/AAAAAAAAAGU/DuvJEf1XRjo/s1600/noakhali.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMPHt0iMI/AAAAAAAAAGU/DuvJEf1XRjo/s320/noakhali.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম, নোয়াখালী জেলার উদ্যোগে বুধবার বিকেল ৫টায় নোয়াখালীতে কেক কেটে উৎসবের আয়োজন করা হয়। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান শেষে বিআরডিবি প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী। এতে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: আলমগীর ইউছুপের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদনা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ, দিগন্ত টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি ও নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদনা পরিষদ সদস্য সাইফুল্যাহ কামরুল। নাঈম উদ্দিন কিছমতের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী ওয়েব’র নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল হোসেন মজনু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিগন্তের ডাক’র প্রধান নির্বাহী আবু নাছের খান পান্নু, আরটিভি’র নোয়াখালী প্রতিনিধি জামাল হোসেন বিষাদ, নোয়াখালী কম্পিউটার সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক স্বপন শাহ, সাপ্তাহিক ধূমকেতু’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অমৃত লাল ভৌমিক সুমন, নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম নোয়াখালী জেলার আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া রাফি প্রমূখ। এসময় যায়যায়দিন ও বিডিনিউজের নোয়াখালী প্রতিনিধি আবু নাছের মঞ্জু, দেশ টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি আকবর হোসেন সোহাগ, শীর্ষ নিউজ ডটকমের প্রতিনিধি ইয়াকুব নবী ইমন, আবদুল মোতালেব, আবদুস সালাম বাচ্ছু, প্রণব আচার্য্য সহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি অন্যান্যদের সঙ্গে নিয়ে নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনের ৫টি মোমবাতি নিভিয়ে কেক কেটে সবাইকে খাওয়ান এবং সবার মাঝে কেক ও মিষ্টিসহ নাস্তা বিতরণ করা হয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী বলেন, আমার চাকরী জীবনে ১৩স্থানে চাকরী করেছি, তবে নোয়াখালীই একমাত্র ব্যতিক্রম। এখানকার মানুষ গুলো খুবই বন্ধু পরায়ন। আর আজকে একটি ব্যতিক্রমী অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনে শরিক হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। তিনি নোয়াখালী ওয়েব’র সাফল্যা কামনা করে বলেন, এটি ডিজিটাল নোয়াখালী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক মো: আলমগীর ইউছুপ বলেন, নোয়াখালী ওয়েব-এ নোয়াখালীর দৈনন্দিন সংবাদের পাশাপাশি, সাহিত্য সংস্কৃতি ও নিহত গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ করে পাঠকদেরকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তিনি নোয়াখালী ওয়েব’র উন্নতি কামনা করে এ পত্রিকার সম্পাদক ও কলা-কৌশলীদের অভিনন্দন জানান। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ বলেন, বর্তমান সরকার গত বছর বাংলাদেশকে ডিজিটাল করার ঘোষণা দিয়েছে। আর আমরা নোয়াখালীবাসী পাঁচ বছর আগে নোয়াখালীকে ডিজিটাল কারার ঘোষণা দিয়ে নোয়াখালী ওয়েব সৃষ্টি করেছি। তিনি এর জন্য নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদক ও প্রকাশক খালেদ সাইফুল্যাহর দীর্ঘয়ু কামনা করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক সাইফুল্যাহ কামরুল বলেন, নোয়াখালী ওয়েব শুধু আমাদের নয় সমগ্র নোয়াখালীবাসীর পত্রিকা। এটি নিয়ে আমরা যে কোন জায়গায় গর্ব করতে পারি। তিনি এতে নোয়াখালী সবাইকে নিজ নিজ এলাকার সমস্যা সম্ভাবনা ও উন্নয়ন নিয়ে লিখার আহবান জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেনী :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMVOQZaNI/AAAAAAAAAGc/Z72HLNJAAVs/s1600/feni.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMVOQZaNI/AAAAAAAAAGc/Z72HLNJAAVs/s320/feni.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম, ফেনী জেলার উদ্যোগে ফেনীতে আলোচনা সভা, র‌্যালী, কেক কেটে ও বেলুন উডিয়ে আনন্দ উৎসব করেছে পাঠকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ফেনী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম। দৈনিক ফেনীর সময়’র সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফারুক হারুন, ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি একেএম আবদুর রহীম, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক হকার্স সম্পাদক নুরুল করিম মজুমদার, ফেনী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক জহুর সম্পাদক বখতেয়ার ইসলাম মুন্না। নোয়াখালী ওয়েব’র ফেনী প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল-মামুনের পরিচালানায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ওয়েব’র নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল হোসেন মজনু। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সমকালের ষ্টাফ রিপোর্টার শাহজালাল রতন, চ্যানেল আইয়ের ফেনী প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক ফেনীর খবর’র সম্পাদক রবিউল হক রবি, ফেনী প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের আঞ্চলিক অফিস প্রধান মো: আবদুল হক, ফেনী পয়েট সোসাইটির সভাপতি কবি মাহবুব আলতমাস, সাপ্তাহিক বর্ণমালা ও মাসিক সরাসরি’র সম্পাদক আবু তাহের ভূঞা, ফেনী ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলবুল, ফেনী প্রগ্রেসিভ লীগ (এফপিএল) এর সভাপতি কামরুল ইসলাম, কবি ইকবাল চৌধুরী, ফেনী থিয়েটারের সমন্বয়ক কাজী ইকবাল পরান প্রমূখ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনুষ্ঠানে সাপ্তাহিক ফেনীর গৌরব’র সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময়ের ফেনী প্রতিনিধি কামাল উদ্দিন ভূঞা, ফেনী সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাবিহ মাহমুদ, দৈনিক যুগান্তরের দাগনভূঞা প্রতিনিধি মো: আবু তাহের, দৈনিক শোয়রবিজ কড়চা’র ফেনী প্রতিনিধি জহিরুল হক মিলুসহ ফেনী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন ও ফেনীর নারী- শিশু সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব গণমানুষের কথা তুলে ধরে বৃহত্তর নোয়খালীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তরা আশা প্রকাশ করেন। তারা বিশ্ব ব্যাপী বৃহত্তর নোয়াখালীর খবর ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যম অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’র প্রশংসনীয় তথ্য সেবাকে অভিনন্দন জানান। অবাধ তথ্য সেবা প্রসারে নোয়াখালী ওয়েব সকলকে পড়তে অনুরোধও করেন। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল বৃহত্তর নোয়াখালী গড়ার লক্ষ্যে নোয়াখালী ওয়েবকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানায়ে এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন অতিথিরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বিশালাকৃতির একটি কেক কেটে নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনকে উৎসব মূখর করে তোলেন। পরে অতিথিরা একে অপরকে কেক খাইয়ে দিবসটিকে স্বরণীয় করে তোলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কেকসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বিশালাকৃতির একটি বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী ফেনী প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লক্ষ্মীপুর :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMaiv_GgI/AAAAAAAAAGk/tmSwH3pqQ9Y/s1600/lakshmipur.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMaiv_GgI/AAAAAAAAAGk/tmSwH3pqQ9Y/s320/lakshmipur.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;মিলনায়তনে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির একমাত্র অনলাইন পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক নতুন চাঁদ সম্পাদক হোসাইন আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে জন্মদিনের কেক কেটে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদনা পরিষদের সদস্য, নোয়াখালী অঞ্চলের কৃতি সাংবাদিক ও ফিচার লেখক মাহমুদুল হক ফয়েজ। এসময় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে নোয়াখালী ওয়েব’র লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম’র লক্ষ্মীপুর জেলা আহবায়ক মোঃ জাকির হোসেন ভূঁইয়া আজাদ, যুগ্ম আহবায়ক ও ইলেকট্রনিক্স মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল আজিম, নোয়াখালী ওয়েবের প্রবাস প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইফুল হাসান পলাশ, যুগান্তর ও এনটিভি জেলা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক সংগ্রাম জেলা প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন নিজামী, দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম স্বপন, কালের কন্ঠ প্রতিনিধি মীর ফরহাদ হোসেন সুমন, বেসরকারি সংস্থা সেভ’র নির্বাহী পরিচালক বনি রড্রিক্স প্রমূখ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রধান অতিথি বলেন, চলমান সরকারের ভিশন-মিশন বাস্তবায়নে নোয়াখালী ওয়েব অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তথ্যের অবাধ সুফল ছড়িয়ে দিয়ে দেশের জনপ্রিয় এ সাইটটি ইতিমধ্যে দেশে-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বনি রড্রিক্স তার বক্তব্যে নোয়াখালী ওয়েবের ষষ্ঠ বর্ষ পেরিয়ে শতবর্ষে পৌঁছার এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সভাপতির বক্তব্যে হোসাইন আহমদ হেলাল বলেন, অনলাইন পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’ আজ সর্বমহলে সমাদৃত। তিনি আশা করেন, এটি আরও দায়িত্বশীলতার সাথে এগিয়ে যাবে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য ওয়েব পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন, বেসরকারি সংস্থা জেমস’র নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান চৌধুরী, ভয়েস’র নির্বাহী পরিচালক সামছুল আলম লিটু, এনআরডিএস’র কর্মকর্তা বাহার উদ্দিন, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা ও লক্ষ্মীপুর বার্তার জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, আজকের প্রত্যাশা প্রতিনিধি মোঃ ফিরোজ হাওলাদার, দেশ জনতা প্রতিনিধি আনোয়ার রহমান বাবুল, খবর প্রতিনিধি নুর আহমদ মিলন, ফোকাসবাংলা প্রতিনিধি তাপস সাহা, আলোর দিগন্ত প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন জবু, সোনালী বার্তা প্রতিনিধি একিউএম শাহাব উদ্দিন, সমকাল ও নোয়াখালী ওয়েব’র রায়পুর প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান মনির, কমলনগর প্রতিনিধি সানা উল্লাহ সানু, জাতীয় নিশান প্রতিনিধি ছাইফুল্লাহ হেলাল, আমার কাগজ প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম খান প্রমূখ। শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/&lt;/a&gt;&amp;nbsp;| &lt;a href="http://www.noakhaliweb.us/"&gt;http://www.noakhaliweb.us/&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-2447536449221260864?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/2447536449221260864/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=2447536449221260864' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/2447536449221260864'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/2447536449221260864'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2010/08/blog-post_10.html' title='বর্ণাঢ্য উৎসবে বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলায় &apos;নোয়াখালী ওয়েব’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDMPHt0iMI/AAAAAAAAAGU/DuvJEf1XRjo/s72-c/noakhali.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-1514346218146857336</id><published>2010-08-10T09:45:00.003+06:00</published><updated>2010-08-10T11:07:13.744+06:00</updated><title type='text'>‘নোয়াখালী ওয়েব’ এ ৫শ’র অধিক মিডিয়ার লিংক সংযুক্ত</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="border-bottom: medium none; border-left: medium none; border-right: medium none; border-top: medium none; clear: both; text-align: justify;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDedJLqlhI/AAAAAAAAAG8/XxMW08NVTCE/s1600/logo.gif" imageanchor="1" style="clear: left; cssfloat: left; float: left; margin-bottom: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDedJLqlhI/AAAAAAAAAG8/XxMW08NVTCE/s320/logo.gif" /&gt;&lt;/a&gt;বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকা নিয়ে অনেক লিংক সাইট থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেগুলো আপডেট থাকেনা ফলে পাঠকরা সঠিক লিংক খুঁজে পায় না। এজন্য পাঠকদের সুবিধার্থে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’ এর মিডিয়া লিংক পেইজে ৫০০ এর অধিক দেশী-বিদেশী পত্র-পত্রিকা, রেডিও এবং টিভি চ্যানেল এর লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে। নিয়মিতভাবে আপডেট হয় বলে পাঠকরা খুব সহজে এখান থেকে বাংলাদেশের যেকোন পত্র পত্রিকা রেডিও-টিভি-সংবাদ মাধ্যমের সঠিক লিংক খুব সহজে খুঁজে পাবেন। প্রথম পাতায় ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম’ এ ক্লিক করুন অথবা নোয়াখালী ওয়েব’র মিডিয়া পেইজের ঠিকানা : &lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/media/"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/media/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-1514346218146857336?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/1514346218146857336/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=1514346218146857336' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/1514346218146857336'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/1514346218146857336'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2010/08/blog-post.html' title='‘নোয়াখালী ওয়েব’ এ ৫শ’র অধিক মিডিয়ার লিংক সংযুক্ত'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDedJLqlhI/AAAAAAAAAG8/XxMW08NVTCE/s72-c/logo.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-2402357819373447959</id><published>2009-10-20T02:09:00.000+07:00</published><updated>2009-10-20T02:17:36.713+07:00</updated><title type='text'>বৃহত্তর নোয়াখালীর কৃতিসন্তানদের একজন ভাষাসৈনিক গাজীউল হক</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/Sty6gRty48I/AAAAAAAAAFk/km4cRYrPQwY/s1600-h/gaziul+hoque.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5394391517357073346" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; WIDTH: 250px; CURSOR: hand; HEIGHT: 226px; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/Sty6gRty48I/AAAAAAAAAFk/km4cRYrPQwY/s400/gaziul+hoque.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;ভা&lt;/span&gt;ষাসৈনিক&lt;/strong&gt; গাজীউল হকের নাম আমাদের সবার পরিচিত।তিনি একাধারে চিলেন বিপ্লবি,কবি, লেখক, গীতিকার..এবং আইনজীবি। গাজীউল হক ১৯২৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহত্তর নোয়াখালীর ফেনী জেলার ছাগলনাইয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছাড়াও পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অধ্যাপক গোলাম আজমসহ অন্যদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার শহীদ জননী প্রয়াত জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিরও তিনি সক্রিয় সদস্য ছিলেন।১৯৪২ সালে তিনি প্রথম জেলে যান মাত্র ১৩ বছর বয়সে।নোয়াখালির ছাগলনাইয়ার এক সরকারি অফিসের উপর থেকে ব্রিটিশ পতাকা নামিয়ে মুসলিম লীগের পতাকা লাগানোর অপরাধে সে সময় তাঁকে জেলে যেতে হয়।ভাল ছাত্র এবং অল্প বয়সের কারনে সে যাত্রায় চাড়া পান তিনি।তাঁর বাবাও ছিলেন ব্রটিশবিরোধি আন্দোলনের সাথে জড়িত।১৯৫৬ সালে যখন তাঁর বাবা মারা যায় তখনও তিনি ছিলেন জেলে। কেবল ভাষাসৈনিক বললে তাঁর পরিচয়কে খণ্ডিত করা হয়। ভাষাসৈনিক হিসেবে গৌরবের পরিচয়বাহী এ মানুষটি ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েই তাঁর দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করেননি, পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন। এখানেই তাঁর মহত্ত্ব, এখানেই তাঁর সামাজিক প্রতিশ্রুতি পালনে নিষ্ঠার প্রমাণ। এ কারণেই তিনি সবার নমস্য হয়ে উঠেছেন।গাজীউল হকের সৌভাগ্য যে, ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তাই তিনি পাকিস্তানের অপশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পেরেছিলেন। উর্দু চাপিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার প্রেরণা পেয়েছিলেন অন্তরের তাগিদ থেকে। ওই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র তো ছিল হাজার হাজার। সবাই তো আর ১৪৪ ধারা ভাঙার সাহস করেননি। যে কজন সেই সাহস প্রকাশ করেছেন তাঁদের একজনের নাম গাজীউল হক। উর্দুর বিরুদ্ধে 'না' বলার নেতৃত্বতো আর সবাই দেননি। তা দিয়েছিলেন বলেই তিনি আজ সকলের শ্রদ্ধার পাত্র। কেবল ৫২ নয়, ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৪-এর সামপ্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, আশির দশকজুড়ে সৈরাচারবিরোধি আন্দোলন- সব ক্ষেত্রেই গাজীউল হকের ছিল উলে&amp;shy;খযোগ্য ভূমিকা। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা কে না জানে, সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নেয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লড়াকু সৈনিক হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও তিনি সম্মানিত। সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ মানুষটিকে আমাদের সময়ে দেখতে পেয়েছি, এটি পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার বলে মনে করি।পেশাগত জীবন তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।তিনি সাধারন মানুষের জন্য নিজের পকেটের টাকা খরচ করে মামালা লড়তেন। কেউ টাকার অভাবে মামালা লড়তে না পারলে তিনি এগিয়ে যেতেন...রাজনীতিতে তিনি জড়িত ছিলেন।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যও ছিলেন তিনি।এছাড়া গাজীউল হক প্রেস ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) এর চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এলএলবি ডিগ্রিও অর্জন করেন।তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, জেলের কবিতা (১৯৫৯), এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম (১৯৭১), এগিয়ে চলো (১৯৭১), বাংলাদেশ আনচেইন্ড (১৯৭১), মোহাম্মদ সুলতান (১৯৯৪), মিডিয়া ল'জ এন্ড রেগুলেশন ইন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের গণমাধ্যম আইন (১৯৯৬)।সর্বশেষ গত বছরের ৭ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ তম সমাবর্তনে তাকে এবং আরেক ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনকে সন্মানসূচক ''ডক্টর অব লজ' ডিগ্রি দেওয়া হয়।এছাড়াও গাজীউল হক তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হন৷ এগুলো- ১৯৭৭ সালে পান পাবনা থিয়েটার পুরস্কার৷ ১৯৭৯ সালে বগুড়া জিলা স্কুলের ১৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে 'বন্ধন'-এর পক্ষ থেকে ভাষাসৈনিক গাজীউল হককে ক্রেষ্ট উপহার দেওয়া হয়৷ ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারি 'সড়ক'-এর পক্ষ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধাঘ্য জানানো হয়৷ ১৯৮৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি 'কমিটি ফর ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ- নিউইর্য়ক' তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায়৷ ১৯৯৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা আন্দোলনে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য 'বাংলাদেশ জাতীয় ব্যক্তিত্ব গবেষণা কেন্দ্র' তাঁকে রাষ্ট্রভাষা পুরস্কার পদক ও সম্মান স্মারক প্রদান করে৷ ১৯৯৭ সালে অন্নদা শংকর রায় কলকাতার পক্ষ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করে৷ ১৯৯৭ সালে বছর 'বগুড়া প্রেস ক্লাব' ভাষাসৈনিকদের সংবর্ধনা দেয়৷ তাঁকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়৷ ১৯৯৭ সালে 'চট্টগ্রাম ইয়ুথ কয়ার' ( বইমেলা ) থেকে ৭ মার্চ তিনি ভাষাসৈনিক পদক পান৷ ১৯৯৭ সালে বগুড়ার ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাঁকে অর্পণ নামে একটি ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ ১৯৯৯ সালের ২৬ নভেম্বর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে জীবনব্যাপী নিষ্ঠা ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলা একাডেমী থেকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ অর্জন করেন৷ তিনি সিপাপ জাতীয় স্বর্ণপদক পান৷ ১৯৯৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি 'আমরা সূর্যমুখী'র পক্ষ থেকে তাঁর ৭১তম জন্মদিনে নাগরিক সম্মাননা দেওয়া হয়৷ 'কারক নাট্য সম্প্রদায়'-এর ১২ বছর পূর্তিতেও তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়৷ ২০০০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনে গৌরবময় ভূমিকার জন্য সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট তাঁকে সকৃতজ্ঞ অভিনন্দন জানায়৷ এছাড়া ২০০০ সালে ভাষা আন্দোলনের পঞ্চাশ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে সিলেট ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা পরিষদ তাঁকে ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা দেয়৷ এবছরই তিনি বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন এর উপদেষ্টা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা স্মারক পান৷ ১২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদও তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে৷ ভাষা আন্দোলনের স্থপতি সংগঠন তমদ্দুন মজলিস-এর পক্ষ থেকে মাতৃভাষা পদক পান৷ 'দি ইনস্টিটিউট অব চার্টাড এ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ' তাঁকে ২১ ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ ২০০০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদানের জন্য 'আমরা সূর্যমুখী'র পক্ষ থেকে তাঁকে ৭৩তম জন্মবার্ষিকীতে নাগরিক সম্মাননা দেয়৷ 'মাতৃভাষা সৈনিক পরিষদ'এর পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা প্রদান করা হয়৷ ২০০০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার' তাঁকে 'একুশে পদক' পুরস্কারে ভূষিত করেন৷ ২০০০ সালের ১০ জুলাই পান 'বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন' পুরস্কার ৷ ২০০১ সালে ফেনী সমিতির পক্ষ থেকে তাঁকে 'ফেনীর কৃতি সন্তান' হিসেবে গুণীজন সংবর্ধনা দেওয়া হয়৷ ২০০১ সালেই একাত্তরের ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির পক্ষ থেকে 'জাহানারা ইমাম পদক' পান৷ ২০০২ সালে 'সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট' 'ভাষা আন্দোলনের-সুবর্ণ জয়ন্তী' উপলক্ষে তাঁকে একটি ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ এ বছর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করে৷ ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের পক্ষ থেকে 'বঙ্গবন্ধু পদক' পান৷ ২০০৪ সালে 'বাংলাদেশ জাতীয় ব্যক্তিত্ব গবেষণা কেন্দ্র'-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে 'বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন-২০০৪'৷ ২০০৪ সালে পান 'শের-ই-বাংলা জাতীয় পুরস্কার' ৷ ২০০৫ সালে শিক্ষা ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য 'মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কার' পান৷ ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন-এর ৭ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তাঁকে ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ আমাদের দেশের এবং জনগনের অকৃত্তিম বন্ধু, ভাষা আন্দোলনের অন্যতম এ প্রাণপুরুষকে একুশে পদক দিয়ে সরকার তাঁর ঋণ শোধের কিছুটা চেষ্টা করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়ে তাঁর প্রতি যথার্থ সম্মান দেখিয়েছে। বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে এবং ভাষা আন্দোলনের সব সৈনিককে এরকম সম্মান জানালে আমরা খুশি হবো। উনার প্রতি রইলো অনেক অনেক শ্রদ্ধা...রইলো অনেক ভালবাসা...এবং কখোনো ভুলে যাব না এমন ওয়াদা।যতদিন বাংলার মাটিতে স্বাধীনতাপ্রেমি শেষ ব্যাক্তিটি রইবে ততদিন আমরা তোমাদের ভুলব না...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালী ওয়েব ‘আলোকিত মানুষ’ পর্ব থেকে প্রকাশিত, ২০ অক্টোবর ২০০৯।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-2402357819373447959?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/2402357819373447959/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=2402357819373447959' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/2402357819373447959'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/2402357819373447959'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2009/10/blog-post.html' title='বৃহত্তর নোয়াখালীর কৃতিসন্তানদের একজন ভাষাসৈনিক গাজীউল হক'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/Sty6gRty48I/AAAAAAAAAFk/km4cRYrPQwY/s72-c/gaziul+hoque.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-4682124714815629032</id><published>2009-07-02T14:23:00.001+07:00</published><updated>2010-08-10T11:08:00.014+06:00</updated><title type='text'>অনলাইন পত্রিকা 'নোয়াখালী ওয়েব'র ৫ম বর্ষে পদার্পন</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDeovrPmtI/AAAAAAAAAHE/z7T3Kc0SE8w/s1600/logo.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDeovrPmtI/AAAAAAAAAHE/z7T3Kc0SE8w/s320/logo.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;৫ম &lt;/strong&gt;বর্ষে পদার্পন করল অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব। বৃহত্তর নোয়াখালীর স্থানীয় ও দেশ বিদেশে এ অঞ্চলের কমিউনিটির মানুষদের তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৫ সালের ১ জুলাই পত্রিকাটি তাদের প্রকাশনা শুরু করেছিল। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত এ্যালাক্সা র্যাংকিং অনুসারে নোয়াখালী ওয়েব বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন পত্রিকা। আঞ্চলিক ও কমিউনিটির খবরের পাশাপাশি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক খবরও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করায় পত্রিকাটি ইতোমধ্যে সর্বমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও সফলভাবে চার বছর পূর্ণ করতে পারার জন্য পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক এর পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;নোয়াখালী ওয়েব'র ঠিকানা : &lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;এছাড়া ৫ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে ফেইসবুকে ও ইউটিউব এ নোয়াখালী ওয়েবের ঠিকানা চালু করা হয়েছে যেখানে পাঠকরা অতি সহজে তাদের মতামতসহ ভিডিও শেয়ারিং করতে পারবেন। ঠিকানাগুলো হল : &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;a href="http://www.facebook.com/noakhaliweb"&gt;www.facebook.com/noakhaliweb&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.youtube.com/noakhaliweb"&gt;www.youtube.com/noakhaliweb&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;br /&gt;সাম্প্রতিক দৈনিক পত্রিকায় নোয়াখালী ওয়েব এর খবর&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক প্রথম আলো : &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTYyOTc0&amp;amp;mid=MTE%3D"&gt;http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTYyOTc0&amp;amp;mid=MTE%3D&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক সমকাল : &lt;a href="http://www.samakal.com.bd/details.php?news=22&amp;amp;action=main&amp;amp;menu_type&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=1459&amp;amp;pub_no=31"&gt;http://www.samakal.com.bd/details.php?news=22&amp;amp;action=main&amp;amp;menu_type&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=1459&amp;amp;pub_no=31&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-4682124714815629032?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/4682124714815629032/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=4682124714815629032' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4682124714815629032'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4682124714815629032'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2009/07/blog-post.html' title='অনলাইন পত্রিকা &apos;নোয়াখালী ওয়েব&apos;র ৫ম বর্ষে পদার্পন'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDeovrPmtI/AAAAAAAAAHE/z7T3Kc0SE8w/s72-c/logo.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-4487796259676220832</id><published>2009-06-08T03:56:00.001+06:00</published><updated>2010-08-10T11:08:36.591+06:00</updated><title type='text'>চার বছর পূর্ণ করল অনলাইন পত্রিকা 'নোয়াখালী ওয়েব'</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDeyRzHdCI/AAAAAAAAAHM/8Jvt1EIlDy4/s1600/logo.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDeyRzHdCI/AAAAAAAAAHM/8Jvt1EIlDy4/s320/logo.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color: red; font-size: 180%;"&gt;বৃ&lt;/span&gt;হত্তর&lt;/strong&gt; নোয়াখালীর স্থানীয় ও দেশ বিদেশে এ অঞ্চলের কমিউনিটির মানুষদের তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৫ সালের জুন মাসে চালু হওয়া অনলাইন পত্রিকা 'নোয়াখালী ওয়েব' তাদের চতুর্থ বর্ষ পূর্ণ করল। বর্তমানে নোয়াখালী ওয়েব আঞ্চলিক ও কমিউনিটির খবরের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবরও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করছে ফলে অনলাইন পত্রিকাটি ইতোমধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। নতুন বছরে পত্রিকাটির ব্যাপক আধুনিকায়ন হবে বলে জানিয়েছেন এর উদ্যোক্তা ও সম্পাদক খালেদ সাইফুল্যাহ। পত্রিকাটির মান উন্নয়নে বৃহত্তর নোয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করা হয়েছে। এর ওয়েব ঠিকানা &lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;&lt;span style="font-size: 85%;"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/&lt;/span&gt;&lt;/a&gt; &lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মতামত জানাতে হ্যালো : ০১৯১৬৫৫৩৩৬৬, ০১৬১৬৫৫৩৩৬৬, ইমেইল : &lt;a href="mailto:editor@noakhaliweb.com.bd"&gt;&lt;span style="font-size: 78%;"&gt;editor@noakhaliweb.com.bd&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;সাম্প্রতিক খবর :&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক প্রথম আলো (০৮ জুন ২০০৯)&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTU5NDAz&amp;amp;mid=MTE"&gt;&lt;span style="font-size: 78%;"&gt;http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTU5NDAz&amp;amp;mid=MTE&lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size: 78%;"&gt;=&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;দৈনিক ইত্তেফাক (০২ জুন ২০০৯)&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.ittefaq.com/content/2009/06/02/news0060.htm"&gt;&lt;span style="font-size: 78%;"&gt;http://www.ittefaq.com/content/2009/06/02/news0060.htm&lt;/span&gt;&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-4487796259676220832?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/4487796259676220832/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=4487796259676220832' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4487796259676220832'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4487796259676220832'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2009/06/blog-post.html' title='চার বছর পূর্ণ করল অনলাইন পত্রিকা &apos;নোয়াখালী ওয়েব&apos;'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDeyRzHdCI/AAAAAAAAAHM/8Jvt1EIlDy4/s72-c/logo.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-8012600162136843237</id><published>2008-10-05T13:38:00.001+06:00</published><updated>2008-10-05T13:43:40.351+06:00</updated><title type='text'>নোয়াখালীর এক অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সাহাব উদ্দিন এস্কেন্দার ভুলু</title><content type='html'>&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SOhv5q9iXSI/AAAAAAAAAEc/JJJXoBYcFB8/s1600-h/sohid-vulu2.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253572001903303970" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SOhv5q9iXSI/AAAAAAAAAEc/JJJXoBYcFB8/s400/sohid-vulu2.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;বৃহত্তর নোয়াখালীর মুক্তিযুদ্ধের এক অন্যতম সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাবউদ্দিন এস্কেন্দার ভুলু একাত্তরের ৬ সেপ্টেম্বর হানাদার পাক বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে নির্মম ভাবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন স্বাধীনতাপূর্ব নোয়াখালীর গৌরবময় ক্রীড়া জগতের অন্যতম সংগঠক। এক সময় বৃহত্তর নোয়াখালীতে কচি, ছালু ও ভুলু এই তিন ভাইয়ের নাম ফুটবল সহ ক্রীড়াঙ্গনে ছিলো সুপরিচিত। তাঁদের ফুটবল দলের নাম ছিল এস্কেন্দার ব্রাদার্স। তাঁর পিতা মরহুম সেকান্দার মিয়া ছিলেন নোয়াখালীর স্বনামধন্য উকিল, জেলা উকিল বারের সভাপতি ও বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। শহীদ ভুলুর বড় ভাই মরহুম সহিদ উদ্দিন এস্কেন্দার কচি মিয়া ছিলেন অসহযোগ আন্দোলনের সময় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও নোয়াখালী পৌর সভার সাবেক চেয়ারম্যান এবং সাবেক এম,এন,এ ও এম,পি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নোয়াখালী টাউন হল ছিলো মুক্তিযুদ্ধের কন্ট্রোল রুম। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে এখান থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রন করা হতো। শহীদ সাহাব উদ্দিন এস্কেন্দার ভুলু মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করার দায়িত্ব পেয়ে টাউন হলেই তাঁর কর্মতৎপরতা শুরু করেন। এপ্রিলের শেষে পাক হানাদার বাহিনী এ শহর দখল করলে মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন দিকে মুক্তাঞ্চলে চলে যায়। তখন শহীদ ভুলু মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে শহরের পূর্বাঞ্চলে কাদিরপুরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ঘাঁটি গড়ে তুলেন। তিনি ২ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এটিএম হায়দারের অধীনে ছিলেন। সে সময় কাদিরপুরে তাঁদের পৈত্রিক বাড়ির কাছে ডা:রজনী কুমার দাসের বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন সভা অনুষ্ঠিত হতো। উত্তর কাদিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম ঘাঁটি । ৫ সেপ্টেম্বর সেই ঘাঁটির উপর দিয়ে একটি পাকিস্তানী ফাইটার বিমান খুব নীচু হয়ে উড়ে যায়। সে সময় মুক্তিযোদ্ধারা বিমান লক্ষ করে মেশিন গান থেকে গুলি ছুঁড়ে। এদিকে স্থানীয় রাজাকাররা গোপনে মুক্তিযুদ্ধের ঘাঁটির সঠিক খবরাখবর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে জানায়। আগরতলার এক তরুণ নবীন ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ হয়ে নোয়াখালীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছিলেন। তাঁর নাম ছিলো অমল নাগ। তিনি ক্যাপ্টেন নাগ বলে সমধিক পরিচিত ছিলেন। ৫ সেপ্টেম্বর রাতে পার্শবর্তী বসুর হাটে মুক্তিযোদ্ধাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শহীদ ভুলু ও ক্যপ্টেন নাগ অন্য সহযোদ্ধাদের সাথে গভীর রাতে কাদিরপুর ক্যাম্পে ফিরে আসেন। সেই ক্যম্পের পাশে খালের মধ্যে নৌকা বেঁধে তাঁরা নৌকার মধ্যেই ঘুমিয়ে ছিলেন। ৬ সেপ্টেম্বর খুব প্রত্যুশে বেগমগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুলের পাক বাহিনীর ক্যাম্প থেকে ছয়টি নৌকা বোঝাই এক প্লাটুন পাকিস্তানী সৈন্য অতর্কিতে এসে সমগ্র এলাকা ঘিরে ফেলে। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধারা হতচকিত হয়ে পড়েন। সহযোদ্ধারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারলেও সে সময় শহীদ ভুলু ও ক্যাপ্টেন নাগ গভীর ঘুমের মধ্যে ছিলেন। ত্বরিৎ বেগে হানাদার পাক সৈন্যরা তাঁদের নৌকা ঘিরে ফেলে। ঘুম থেকে জেগে উঠেই তাঁরা পাক সৈন্যদের সঙ্গে প্রতিরোধ যুদ্ধে লিপ্ত হন। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। পাক সৈন্যদের একটি গুলি সাহাব উদ্দিন এস্কেন্দার ভুলুর বাম বাহুতে এসে লাগলে তিনি মারাত্মক আহত হন। আহত অবস্থায় তিনি ও ক্যাপ্টেন নাগ পাক সৈন্যদের হাতে ধরা পড়ে যান। হানাদাররা তাঁদেরকে পার্শবর্তী স্কুলের বারান্দায় এনে হাত পিছমোড়া করে গরুর রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। পাক সেনারা বারবার জানতে চায়, কে সাহাব উদ্দিন এস্কেন্দার ভুলু। তখন সেখানে উপস্থিত দুই ঘৃন্য রাজাকার কাজী অবুবকর সিদ্দিক ও কাজী মতিউর রহমান শহীদ ভুলুকে দেখিয়ে দেয়। তখন তারা উভয়কে বেগমগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু রাজাকাররা তাঁদের দুজনকে এখানেই হত্যা করতে পিড়াপিড়ি করে। এ নিয়ে রাজাকার ও হানাদার বহিনীর অফিসারের সাথে উত্তপ্ত বাক্যও বিনিময় হয়। তখন শহীদ ভুলু বার বার জয় বাংলা বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পাক সৈন্যরা বেয়নেট দিয়ে তাঁর কণ্ঠনালী কেটে ফেলে। এরপর তাঁকে পিছন দিক থেকে পরপর তিনটি গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হতে হায়নারা তাঁকে বেয়োনেট দিয়ে বার বার খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নৃসংশভাবে হত্যা করে। সে অবস্থায় তাঁর লাশ সেখানে পড়ে থাকে। শহীদ ভুলুর লাশ সেখানে ফেলে রেখেই পাক বাহিনীরা ক্যাপ্টেন নাগকে নিয়ে বেগমগঞ্জ ক্যাম্পে ফিরে যায়। ক্যাম্পে ক্যাপ্টেন নাগের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। দেশ স্বাধীন হলে অর্ধমৃত অবস্থায় তিনি মুক্তি পান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হানাদার বহিনীরা কাদির পুর ছেড়ে চলে গেলে মুক্তি বাহিনীরা এসে শহীদ ভুলুর লাশ উদ্ধার করে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাঁর বাড়িতে এনে তাঁর বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করে। এর কয়দিন পর সেনবাগে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের এক যুদ্ধে কজন রাজাকার সহ শহীদ ভুলুর হত্যার সহযোগি দুই রাজাকার কাজী আবু বকর সিদ্দিক ও কাজী মতিউর রহমান মারা পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাহাব উদ্দিন ভুলু শহীদ হওয়ার সময় তাঁর তিন ছেলে ছিলো একেবারেই শিশু। তখন বড় ছেলে জুয়েল চার বছর, মেঝো ছেলে সোহেল আড়াই বছর ও ছোট ছেলে দীপেলের বয়স ছিলো মাত্র ছয়মাস। তাদের মাইজদী শহরের লক্ষীণারায়ন পুরের বাড়িটি ছিলো রাজনীতির নানান স্মৃতিতে ঘেরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মজলুম জননেতা মাওলানা ভাষানী, সোহরাওয়ার্দী, পাকিস্তানের বিরোদীদলের নেতা আজম খাঁন প্রমুখ দেশ বরেণ্য নেতাদের পদচারনায় এলাকাটি ছিলো সদা মুখরিত। সে স্মৃতিময় বাড়িটিও পাক হানাদারেরা পুড়িয়ে দেয়। সেই থেকে নানান ঘাত প্রতিঘাতে আত্মীয়স্বজন পাড়াপড়শীদের সহযোগীতায় তারা আজ মানুষ হয়েছে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু নোয়াখালীতে এসে শহীদ ভুলুর বৃদ্ধা মা আজমুদা খাতুনকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন, আপনার এক ছেলে যুদ্ধে হারিয়ে গেলেও আমিতো আপনার আর এক ছেলে আছি। পঁচাত্তর পরবর্তীতে এই পরিবারের উপর সরকারি ভাবে নেমে এসেছিলো বঞ্চনা আর অবহেলা। সবচেয়ে আশ্চর্য ও গ্লানিকর দিক হলো, যে দুই রাজাকার শহীদ ভুলকে হত্যার সহযোগীতা করেছিলো কাজী আবু বকর সিদ্দিক ও কাজী মতিউর রহমান দুজনেই একসাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধে অত্যন্ত ঘৃনিত ভাবে মৃত্যু বরণ করলেও দীর্ঘদিন থেকে শহীদ পরিবার হিসাবে তাদের পোষ্যরা ভাতা পেয়ে আসছিলো। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র তাদের নামে এ বরাদ্ধ এতো দিন দিয়ে আসছিলো বলে শহীদ ভুলু পরিবার সূত্রে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালীর ক্রীড়া জগতের এক সময়ের এ অনন্য সংগঠকের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মুক্তিযুদ্ধে তাঁর মহান অবদান ও আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জেলাবাসি এ এলাকার একমাত্র ষ্টেডিয়ামের নাম করণ করে,শহীদ ভুলু ষ্টেডিয়াম। এটি এখন আন্তর্জাতিক মানের ষ্টেডিয়াম হিসাবে গড়ে উঠছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালীবাসি এই অকুতভয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখক : মাহ্‌মুদুল হক ফয়েজ&lt;br /&gt;ফিচার এডিটর, নোয়াখাখালী ওয়েব&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-8012600162136843237?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/8012600162136843237/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=8012600162136843237' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/8012600162136843237'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/8012600162136843237'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/10/blog-post_05.html' title='নোয়াখালীর এক অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সাহাব উদ্দিন এস্কেন্দার ভুলু'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SOhv5q9iXSI/AAAAAAAAAEc/JJJXoBYcFB8/s72-c/sohid-vulu2.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-1774072843393038391</id><published>2008-10-05T12:55:00.000+06:00</published><updated>2008-10-05T13:02:38.665+06:00</updated><title type='text'>অর্থনৈতিক সম্ভাবনার অবারিত দ্বার নোয়াখালী</title><content type='html'>&lt;div align="left"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SOhle1WF2zI/AAAAAAAAAEU/FJPm31ksOGk/s1600-h/nijhum_deep.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5253560545717902130" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SOhle1WF2zI/AAAAAAAAAEU/FJPm31ksOGk/s400/nijhum_deep.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;অতি প্রাচীন ইতিহাস সম্বৃদ্ধ নোয়াখালী জেলা। ১৯২১ থেকে ২০০৮ সাল। দীর্ঘ ১৮৭ বছর ইতিহাসের পথ পরিক্রমায় এ জেলার সন্তানদের বীরোচিত ত্যাগ জাতিকে করেছে মহিমান্বিত, জেলাবাসী হয়েছে গর্বিত। প্রকৃতির অপার রূপ আর সম্পদ সম্বৃদ্ধ এ জেলার ফসলের ভান্ডার উদ্বৃত্ব। কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, পশু, মৎস্য সম্পদ, তাঁত বস্ত্র, লবন চাষ (বর্তমানে বিলুপ্ত) রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ইতিহাসও সুদীর্ঘ কালের। কালের পরিক্রমায় প্রকৃতির খেয়ালে বহুবার নোয়াখালীর উপকূল ভেঙ্গেছে আবার গড়েছে। ভাঙ্গা গড়ার এ চোরাবালির মাঝে মানুষ নিঃস্বও হয়েছে আবার সম্বৃদ্ধ হয়েছে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালীর ৭০ ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কৃষিজীবি। প্রকৃতিকে নির্ভর করে গ্রামের বনেদীগৃহস্থ পরিবার ছিল স্বয়ম্ভর। তবে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার সুযোগের অভাবে কৃষিতে এসেছে সংকট। সে সংকট অব্যাহত। গত দু'দশক ধরে নতুন সর্বনাশ জলাবদ্ধতা জেলার কৃষি ব্যবস্থাকে কেবল ধ্বংস করেনি, বিরাণ করেছে গ্রামীন অর্থনীতিকে। বাড়িয়েছে বেকারত্ব। সম্পন্ন কৃষক ও কৃষি পরিবার হয়েছে সর্বশান্ত। পেশা বদল করে অনেকে কৃষি বিমুখ হওয়ায় কৃষিতে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন জনবল সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। অথচ স্বাধীনতার পরবর্তী সরকার ব্যবস্থার সকল পর্যায়ে নোয়াখালীর বিদগ্ধ সন্তানদের উজ্জ্বল উপস্থিতি থাকলেও কৃষি নির্ভর জেলার কৃষিখাতে সংকট সমাধানে কেউ এগিয়ে আসেনি। সাবেক ৬ উপজেলা এখন প্রশাসনিক প্রয়োজনে ৯ উপজেলায় রূপান্তরিত। তাতে মানুষের উন্নয়ন হবে এ আশাবাদ করা যেতে পারে। কিন্তু নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও হাতিয়া উপজেলা ছাড়া বাকী ৭ উপজেলা বর্ষা মৌসুম ও মৌসুম পরবর্তী ২ মাস জলাবদ্ধ থাকে কৃষি জমি। দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা কৃষির যে বিপর্যয় এনেছে তা থেকে উত্তোরনের কোন সঠিক পরিকল্পনা নেই। রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের আগুনের লেলিহান শিখার মত দ্রব্য মূল্য যখন মানুষকে সর্বাঙ্গে পুড়তে শুরু করেছে তখন আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থার টনক নড়েছে। গত দু'দশকে কৃষি আর কৃষকের প্রতি যে অবহেলা তার প্রতিশোধ নিচ্ছে দ্রব্য মূল্য। সুজলা, সুফলা শস্য শ্যামলা বাংলাদেশের কৃষিকে কার স্বার্থে বিদেশী বাজারে পরিণত করে এর অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করেছে তার মূল্যয়ান করা সময়ের দাবী। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালীর কৃষির বিশাল সম্ভাবনা হলেও প্রায় ৬৫ হাজার একর জমি এখনো সারা বছর পতিত থাকে। একফসলী জমির পরিমাণ ৪৭ হাজার একর। কৃষি জমির বিশাল ভান্ডার উপকূল জুড়ে। সেখানে সীমিত সুযোগ নিশ্চিত হলে ৮০হাজার একর জমিকে ত্রি-ফসলী করা সম্ভব। অথব জলাবদ্ধতা, সেচের অভাব, সার সংকট, কীটনাশক সংকট ছাড়াও ভেজাল বীজ, সার, ঔষধ কৃষি এবং কৃষকের অস্তিত্বকে হুমকিতে ফেলেছে।&lt;br /&gt;এ জেলায় মৌসুমী বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশী। পরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থা সেভাবে গড়ে উঠেনি। গত তিন দশকে উন্নয়নের জোয়ারে পুল, কালভার্ট, রাস্তা অবকাঠামতে হয়নি তা বলা যাবে না, তবে মূল বিষয় খাল সংস্কার, পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধার বিষয়ে জনগণের দীর্ঘদিনের দাবী পুরোপুরি উপেতি হয়েছে। মেঘনা আর ডাকাতিয়া নদীর সাথে সংযোগে খালগুলো মরে যাচ্ছে, বেদখল হয়েছে প্রভাবশালীদের দ্বারা অথচ প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টরা এগুলোকে আমলে নেয়নি। বরং কতিপয় ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার একর অনাবাদি জমি পতিত পড়ে রয়েছে। সেচ সুবিধার অভাবে প্রতি বছর ৭০ হাজার একর জমিতে ফসল বুনন হয় না। হাতিয়া  ভাঙছে গত তিন দশকের বেশী সময় ধরে, দেখার কেউ নেই। কতিপয় রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অসাধু সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী ও প্রভাবশালীদের মদদে ৫০ হাজার হেক্টরের বনাঞ্চল উজাড় হয়েছে। ঝড় জলোচ্ছাসে উপকূলের কতিপয় অঞ্চলে কয়েক লাখ মানুষ এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। তাদের থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। গরু, মহিষ, ভেড়া তথা পশু সম্পদ সম্বৃদ্ধ উপকূলে এখন পশুর অভাব। কথিত ভূমিহীন ও মৎস্য চাষীরা খাস জমি দখল করে ফেলছে। অথচ পশুদের জন্য চারণভূমি নেই। সরকারের পরিকল্পিত উপকূল উন্নয়নের ফাইলে উই পোকা ধরেছে। এ কারণে উপকূলের কথিত উন্নয়ন এখন শীতাতপ হলঘরে, সেমিনার, টকশোতে সীমাবদ্ধ।&lt;br /&gt;উপকূলের কৃষক নতুন ফসলে উৎপাদনে আগ্রহী হয়েছে। গত ১০ বছরে উপকূলীয় এলাকায় তরমুজ, ঢেঁড়স, সয়াবিন, বাদাম, ভূট্টা ও গমের চাষ হচ্ছে। সবজি চাষে আগ্রহী কৃষক আগাম শীতের সবজি বাজারে নিয়ে আসছে। অথচ তাদের জন্য প্রযুক্তি, বীজ, সার, প্রয়োজনীয় তথ্য, সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি সুযোগ খুবই সীমিত। সংশ্লিষ্ট বিভাগে লোকবল সংকটও রয়েছে। প্রান্তিক চাষীর জমি নেই। অথচ তার উদ্যোগ ও মেধা আছে। তা কাজে লাগানোর নিশ্চয়তা চায়। চায় উৎপাদিত পণ্যের মালিকানা ও খাস ভূমি।  &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;সরকার বলছে, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে হবে। অথচ এর জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট পায় না কৃষক। ব্যক্তি মালিকানা ও খাস ভূমির মালিকানা সামন্ত প্রভু ও প্রভাবশালীদের। তারা চাষ করে না। এ জন্য জমি চাষে বাধ্য করার আইন প্রয়োজন। এ জেলায় খামার ভিত্তিক গবাদি পশু, মৎস্য চাষ, হাঁস-মুরগী, মৌসুমী ফল ও সবজি চাষের ব্যাপক প্রসার ঘটছে। তবে এর উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সুবিধা সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে পাওয়া যায় না। মৎস্য চাষে উপকূলীয় অঞ্চলে আরেকটি নতুন বিপ্লব ঘটেছে। সরকারী খাস জমি ও ব্যক্তিগত জমিতে বৈধ অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা মৎস্য প্রকল্প থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ টন মাছ বাজারে আসছে। এ অঞ্চলে গড়ে উঠেছে আধুনিক হ্যাচারী, দুগ্ধ খামার, ফিড প্রসেসিং কারখানা সবই হচ্ছে পরিকল্পনাহীন ভাবে। ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ২টি ফিশ প্রসেসিং কারখানা গড়ে উঠেছে, যা শুরুতেই বন্ধ হয়ে গেছে। এই ধরনের প্রকল্পগুলোকে পরিকল্পিত ভাবে এবং সুচিন্তিত ভাবে বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। সম্প্রতি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদের সুচিন্তা প্রসূত ফোর কাউ, গুটি ইউরিয়া, জৈব সার, বায়োগ্যাস প্রকল্প ও ক্ষুদ্র সমবায় ভিত্তিক প্রকল্পগুলো গ্রামীন জনপদের কৃষকের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে। সেনাবাহিনীর কারিগরী সহযোগিতায় এই ধরনের প্রকল্প বেকারত্ব নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালীর পর্যটন শিল্প সম্ভাবনা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরো একটি উদ্যোগ হতে পারে। বিদ্যুৎ, পানীয় জল অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে নিঝুম দ্বীপ, চরকার্ক-সন্দ্বীপ চ্যানেল, কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর সহ বিশাল অঞ্চল জুড়ে পৃথক পর্যটন শিল্পের বিকাশ সম্ভব। এছাড়া ৪৩ কিলোমিটার লম্বা ঐতিহাসিক নোয়াখালী খালটি হতে পারে পর্যটন শিল্প বিকাশের আরেকটি অন্যতম উপাদান। জেলার উপকূলের ১৫শ বর্গকিলোমিটার জুড়ে গড়ে তুলতে হবে পরিকল্পিত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট। পরিবেশের জন্য যা হবে খুবই প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করার জন্য প্রকৃতির এ দেয়াল গড়ে তোলার বিকল্প নেই। একই সাথে পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং জীব বৈচিত্রকে রক্ষা করার জন্য বনায়ন, বিশাল বিশাল জলাশয় খনন খুবই জরুরী, যা পাল্টে দেবে এ জনপদের মানুষের জীবন যাত্রাকে।&lt;br /&gt;নোয়াখালীতে ইতিমধ্যে বেশকিছু উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নার্সিং ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট, মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাট্স), পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার অন্যতম। তবে জনসংখ্যার বিচারে এবং আয়তনের বিশালতায় সেই হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থা তেমন উন্নতি ঘটেনি। মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে প্রতিবছর বহু মেধাবী ছাত্রছাত্রী শি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরনের প্রয়োজন, প্রয়োজন আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসার। আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি নোয়াখালীতে মেডিকেল কলেজ, ইপিজেড, নৌ বন্দর, সুবর্ণচর পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণ ও নির্মাণের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই হচ্ছে; যা হবে স্থল ও নৌ পথে বহুমুখী বাণিজ্য প্রসারের একটি বিশাল উদ্যোগ। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালীর জেলার সন্তানরা যারা উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন, তারা বিষয়গুলো নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দেন-দরবার করে এ উদ্যোগ গুলোর সফল বাস্তবায়ন করবেন- এ প্রত্যাশা জেলাবাসী করে। অবশ্যই বিষয়গুলো করুণা নয়, নোয়াখালীর মানুষ ইতিহাসে অনেক পংকিল পথে সাহসী ভূমিকা নিয়ে মানুষের পক্ষে দেশের পক্ষে দাড়িয়েছে, হারিয়েছে অনেক কিছু, সে তুলনায় পায়নি কিছুই। যে উদ্যোগ গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে তা হবে দেশের জন্য, দেশের অর্থনীতির জন্য সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। এগুলো বাস্তবায়ন দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থেই করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখক : বিজন সেন&lt;br /&gt;নোয়াখালী প্রতিনিধি, চ্যানেল আই ও দৈনিক ভোরের কাগজ&lt;br /&gt;নিয়মিত লেখক, নোয়াখালী ওয়েব&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-1774072843393038391?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/1774072843393038391/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=1774072843393038391' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/1774072843393038391'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/1774072843393038391'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/10/blog-post.html' title='অর্থনৈতিক সম্ভাবনার অবারিত দ্বার নোয়াখালী'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SOhle1WF2zI/AAAAAAAAAEU/FJPm31ksOGk/s72-c/nijhum_deep.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-3407496790306281047</id><published>2008-09-23T13:36:00.000+06:00</published><updated>2008-09-23T13:41:40.475+06:00</updated><title type='text'>পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বিজেম হবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার একটি আর্দশ প্রতিষ্ঠান -নির্বাহী পরিচালক মির্জা তারেকুল কাদের</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SNidA5eUrxI/AAAAAAAAAEM/p45INkX47aI/s1600-h/BIJEM.JPG"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5249118004453879570" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SNidA5eUrxI/AAAAAAAAAEM/p45INkX47aI/s400/BIJEM.JPG" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;সাংবাদিকতাসহ গণযোগাযোগের সকল শাখায় মানসম্পন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া (বিজেম)। আধুনিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, প্রকাশনা ও গবেষণামূলক এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয় সম্পূর্ণ বেসরকারী উদ্যোগে। ২০০৪ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম বিষয়ে অধিভুক্ত এ প্রতিষ্ঠানটি গণমাধ্যম বিষয়ে বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ইনস্টিটিউট। বৃহত্তর নোয়াখালীর (লক্ষ্মীপুর জেলার, রামগঞ্জ উপজেলা) কৃতি সন্তান সাংবাদিক, জনসংযোগবিদ, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মির্জা তারেকুল কাদের এ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সমপ্রতি নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদক খালেদ সাইফুল্যাহ 'বিজেম' নিয়ে কথা বলেন নির্বাহী পরিচালক মির্জা তারেকুল কাদেরের সাথে। এ প্রসঙ্গে নিয়ে তিনি জানান, বিজেম পরিচালিত 'সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা' দেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার প্রসারে ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছে। এছাড়া স্বল্প মেয়াদী অন্যান্য কোর্স সম্পন্ন করেও শিক্ষার্থীদের অনেকেই বেকারত্বের দূর্বিসহ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি বলেন, কোন প্রকার সরকারী অনুদান ছাড়াই এ ইনস্টিটিউট গত ৫ বছরে যে সাফল্য অর্জন করেছে তা সম্পূর্ণরুপে ব্যক্তি উদ্যোগেই হয়েছে। আমরা এ ইনস্টিটিউটকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার একটি আর্দশ ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। কিন্তু প্রতিনিয়ত আমাদেরকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে আর্থিক সমস্যাসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। আমরা এখনো বাংলাদেশ সরকার অথবা বিদেশী দাতা সংস্থাগুলো হতে কোন প্রকার অনুদান বা সাহায্য পাইনি। ইলেক্ট্রনিক সাজসরঞ্জামের অভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা, বিদেশী সাহায্য, এবং বিদ্যেৎসাহী ও সংস্কৃতিমনা দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতা পেলে এ ইনস্টিটিউটকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার একটি আর্দশ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে জানালেন নির্বাহী পরিচালক। তিনি আরো জানান, ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য রয়েছে একটি গভর্নিং বডি ও একটি উপদেষ্টা পরিষদ। গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, বিদোৎসাহী ও সমাজসেবক জনাব আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে রয়েছেন শিল্পপতি জনাব এস.এম.এমদাদুল ইসলাম ও শিল্পপতি জনাব নিসার আহমেদ। উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দি নিউজ টুডে সম্পাদক জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, এটিএন বাংলার চীফ এ্যাডভাইজার জনাব সাইফুল বারী এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব শওকাত মাহমুদসহ আরো কয়েকজন বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ ও বিদোৎসাহী। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য : এ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশে সাংবাদিকতা, জনসংযোগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সম্পাদনা ও প্রকাশনা, চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপনকলা, ফটোগ্রাফী প্রভৃতি বিষয়ে কর্মমুখী, আধুনিক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, মৌলিক গবেষণা পরিচালনা এবং উল্লেখিত বিষয়ের উপর গ্রন্থ ও জার্নাল প্রকাশ করা। সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম) : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০০৪-৫ শিক্ষাবর্ষ হতে বিজেম সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে। প্রথম ব্যাচে ৪ জন ছাত্রীসহ মোট ৩৭ জন শিক্ষার্থী কোর্সটি সম্পন্ন করেছে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশিক্ষণ কোর্স : ডিপ্লোমা ছাড়াও এই ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে সাংবাদিকতা এবং গণযোগাযোগের বিভিন্ন বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সমাপ্ত করেছে। এসব কোর্সের মধ্যে রয়েছে, বেতার ও টেলিভিশনে সংবাদ উপস্থাপনা, টেলিভিশন সাংবাদিকতা, আধুনিক জনসংযোগ ও জনসংযোগের কলাকৌশল, ফ্রি-ল্যান্স সাংবাদিকতা, কলাম লেখার কলাকৌশল, প্রেস রিলিজ লিখন কৌশল ও ছবি সম্পাদনা, ফটো সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল ফটোগ্রাফী, লেখালেখির কলাকৌশল, স্পোকেন ইংলিশসহ অন্যান্য কোর্স। এসব কোর্সের প্রত্যেকটিই শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। অর্জন ও &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;সাফল্য : প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে বিজেম ইতোমধ্যে বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। বিগত ৫ বছরে কোন প্রকার সরকারি ও বিদেশী দাতা সংস্থার সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়াই এই প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৫শ' শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। প্রশিক্ষণ লাভকারীদের মধ্যে রয়েছেন চাকুরীজীবী, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, জনসংযোগ কর্মকর্তা, গৃহিনী, সরকারী ও বেসরকারী কর্মকর্তা। এদের প্রায় ১শ' জন এখন বিটিভি, এনটিভি, এটিএন বাংলা, ইটিভি, আরটিভি, চ্যানেল আই, চ্যানেল ওয়ান, বৈশাখী টেলিভিশন, বাংলাভিশন, দিগন্ত টিভিসহ অন্যান্য স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোতে এবং বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারী রেডিওতে টিভি সাংবাদিকতা, সংবাদ উপস্থাপনা, অনুষ্ঠান উপস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে স্টাফ রিপোর্টার, কন্ট্রিবিউটর, কলামিস্ট, ফ্রি-ল্যান্স সাংবাদিক ও লেখক হিসেবে কাজ করছেন; যা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ ইনস্টিটিউটের সফলতাই প্রমাণ করে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রকাশনা ও গবেষণা : প্রকাশনা ও গবেষণা ক্ষেত্রে বিজেম ইতোমধ্যে 'জনসংযোগ ও প্রকাশনা' শীর্ষক একটি বৃহৎ সংকলন গ্রন্থ (৫২০ পৃষ্ঠা) প্রকাশিত হয়েছে। এটি সম্পাদনা করেছেন ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মির্জা তারেকুল কাদের। এছাড়া প্রকাশিত হয়েছে 'পাবলিক রিলেসন্স এন্ড মিডিয়া ডাইরেক্টরী' (২০০৪ ও ২০০৫)। এ ২টি প্রকাশনাই সুধীজন ও পাঠক কর্তৃক ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;রিসোর্স পার্সন ও প্রশিক্ষক : কোর্স পরিচালনার জন্য ইনস্টিটিউটের রয়েছে দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত উচ্চ শিক্ষিত প্রশিক্ষক। নিজস্ব প্রশিক্ষক ছাড়াও অন্যান্য প্রশিক্ষকবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন: প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত স্বনামধন্য সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক, খ্যাতনামা সংবাদ উপস্থাপক ও টিভি ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত লেখক, উচ্চারণ বিশেষজ্ঞ, ক্যামেরাম্যান, ভিডিও এডিটর এবং তথ্য ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞগণ। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত সুবিধা সমূহ : ইনস্টিটিউটের রয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, সনি হ্যান্ডিক্যাম, প্যানাসনিক ডিভি ক্যাম, ওভার হেড প্রজেক্টরসহ আধুনিক ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জামাদি, সাউন্ড সিস্টেম, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনফারেন্স রুম ও ক্লাশ রুম। এছাড়াও রয়েছে দেশী-বিদেশী বইয়ে সম্মৃদ্ধ আধুনিক লাইব্রেরীসহ ইন্টারনেট সুবিধা। আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী এমন ছাত্র-ছাত্রী, লেখক ও সাংবাদিকদের জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে কতৃপক্ষ কোর্স ফি'র একটি নির্দিষ্ট অংশ ছাড় দিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও উৎসাহিত করে। ভবিষ্যৎ &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;কর্মপন্থা : সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমা ছাড়াও ভবিষ্যতে বিজেম আরো কয়েকটি কোর্স পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে একটি হলো গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানে মাস্টার্স কোর্স চালু। এছাড়া ডিজিটাল ভিডিও এডিটিং, ক্যামেরা অপারেশন্স, ডিজিটাল ফটোগ্রাফি, বিজ্ঞাপনকলা, চলচ্চিত্র নির্মাণ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার কলাকৌশল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রভৃতি বিষয়ে নতুন নতুন প্রশিক্ষণ কোর্স প্রদানের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;যোগাযোগ, নির্বাহী পরিচালক, বিজেম, ২৫৭/৮ এলিফ্যান্ট রোড, কাটাবন ঢাল, ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৮৬১৭৯১২, ৯৬৭৪২২৪&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-3407496790306281047?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/3407496790306281047/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=3407496790306281047' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/3407496790306281047'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/3407496790306281047'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/09/blog-post_23.html' title='পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বিজেম হবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা শিক্ষার একটি আর্দশ প্রতিষ্ঠান -নির্বাহী পরিচালক মির্জা তারেকুল কাদের'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SNidA5eUrxI/AAAAAAAAAEM/p45INkX47aI/s72-c/BIJEM.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-8066789587726581980</id><published>2008-09-12T02:15:00.001+06:00</published><updated>2010-08-10T11:10:06.504+06:00</updated><title type='text'>বৃহত্তর নোয়াখালীর সংবাদ, সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের উন্নয়নে নোয়াখালী ওয়েব</title><content type='html'>&lt;div align="left"&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDe-FTkdJI/AAAAAAAAAHU/r9wEKA3xo1k/s1600/logo.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDe-FTkdJI/AAAAAAAAAHU/r9wEKA3xo1k/s320/logo.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color: red;"&gt;www.noakhaliweb.com.bd&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/a&gt; :: নোয়াখালী বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি জেলা। প্রশাসনিক ভাবে বর্তমানে নোয়াখালী (নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর) তিন জেলায় বিভক্ত হলেও এ অঞ্চলের মানুষের কৃষ্টি কালচার একই রকম এবং সারাবিশ্বে 'নোয়াখাইল্লা' হিসাবেই এ অঞ্চলের মানুষ বিশেষভাবে পরিচিত। মেধাবী ও সৃষ্টিশীল হিসাবে এ অঞ্চলের মানুষের রয়েছে বিশ্ব স্বীকৃতি। শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, প্রশাসন, ব্যবসা-বানিজ্য সর্বক্ষেত্রে নোয়াখালীর মানুষের অবদান অনস্বীকার্য। কথিত আছে জাতীয় অর্থনীতির ৩৫% নিয়ন্ত্রন করে নোয়াখালীর লোকজন। শুধু দেশে নয় বিদেশেও সমান কৃতিত্বের সাথে নোয়াখালীর মানুষ বরাবরের মত বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছে। জীবন জীবিকার প্রয়োজনে দেশে এবং বিশ্বের সর্বত্র এ অঞ্চলের মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কিন্তু যে যেখানেই অবস্থান করুকনা না কেন নিজ এলাকার প্রতি টান এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়। ফলে বৃহত্তর এ জনগোষ্ঠীর তথা বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষকে স্থানীয় ও কমিউনিটির খবরা-খবর তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করার লক্ষ্য নিয়ে সাংবাদিক খালেদ সাইফুল্যাহ'র ব্যক্তিগত উদ্যোগে ২০০৫ সালে অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েবের যাত্রা শুরু হয়। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালী ওয়েব যখন কাজ শুরু করে তখন বাংলাদেশে অনলাইন পত্রিকার ধারনাটা একেবারেই নতুন এবং তখন পর্যন্ত বিডিনিউজ২৪.কম অনলাইনে তাদের নিউজ প্রকাশ করত। এজন্য প্রায় ১ বছর নোয়াখালী ওয়েব মানুষের মাঝে ইয়াহু অনলাইন গ্রুপ পরিচালনা সহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র অনলাইন পত্রিকা সম্পর্কে ধারণা/সচেতনতা তৈরী করার জন্য কাজ করে। ২০০৬ সালের শুরু থেকে পত্রিকাটি নিউজ প্রকাশনা শুরু করে। সংবাদ প্রকাশনা শুরু করার খুব অল্প সময়ের মধ্যে নোয়াখালী ওয়েব বৃহত্তর নোয়াখালীসহ বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিশেষভাবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। উল্লেখ্য বাংলাদেশের অঞ্চলভিত্তিক এটাই প্রথম কোন অনলাইন পত্রিকা যারা ২৪ ঘন্টা সংবাদ প্রদান করছে। অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি বর্তমানে নোয়াখালী ওয়েব স্থানীয় দৈনিক/সাপ্তাহিক/মাসিক পত্রিকাগুলোকে ফ্রি! নিউজ সার্ভিস প্রদান করছে। এতে করে স্থানীয় পত্রিকাগুলো আরো বেশি তথ্য সমৃদ্ধ হচ্ছে। ইতোমধ্যে বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রথম দৈনিক জাতীয় নিশান, দৈনিক লক্ষ্মীপুর কন্ঠ, সাপ্তাহিক নোয়াখালী কন্ঠ সহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব'র নিউজ সার্ভিস গ্রহণ করছে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;২০০৭ এর ১৫ই আগষ্ট নোয়াখালী ওয়েব এর সাইটটি হ্যাকার দ্বারা আক্রান্ত হয়। নোয়াখালী ওয়েব এর অগ্রযাত্রায় ইশ্বান্বিত হয়ে স্থানীয় ও আন্তজার্তিক একটি গোষ্ঠী নোয়াখালী ওয়েবসাইট কে আক্রমন করে এবং সাইটে পর্ণ ছবি জুড়ে দেয়। যা তখকার সময়ে ব্যাপক মানসিক বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ নিয়ে তখন বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে ফলাওভাবে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। ১৫ দিন বন্ধ থাকার পর ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ থেকে নতুন ওয়েব ঠিকানায় নোয়াখালী ওয়েবের পূনরায় প্রকাশনা শুরু হয়। দেশ বিদেশে বৃহত্তর নোয়াখালীর অগনিত মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসায় মাত্র ছয়মাসের মধ্যে নোয়াখালী ওয়েব আগের তুলনায় আরো অনেক বেশি পাঠক প্রিয়তা অর্জন করে। ইতোমধ্যে পাঠক চাহিদার কথা বিবেচনা করে নোয়াখালী ওয়েব স্থানীয় সংবাদের পাশাপাশি জাতীয় সংবাদও প্রকাশ করা শুরু করে। এতে করে বৃহত্তর নোয়াখালীর বাহিরে অন্যান্য জেলার মানুষের কাছেও নোয়াখালী ওয়েব ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ফলশ্রুতিতে বর্তমানে বিশ্ববিখ্যাত এলাক্সা র্যাংকিং অনুযায়ী নোয়াখালী ওয়েব বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন পত্রিকা (প্রথম : বিডিনিউজ২৪.কম, তৃতীয় : দি-এডিটর)। যা নোয়াখালীবাসীর জন্য গর্ব করার মত একটা বিষয়। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;আপনার এলাকা, আপনার সংবাদ এ শ্লোগানকে ধারণ করে বর্তমানে নোয়াখালী ওয়েবের পাঠক সংখা দৈনিক প্রায় ২১,০০০ (একুশ হাজার, গত ছয় মাসের হিসাব অনুযায়ী) এবং প্রতিদিন এ সংখ্যা বাড়ছে। গত ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে নোয়াখালী ওয়েব পাঠকদের জন্য নিবন্ধন সিস্টেম চালু করলে বর্তমানে প্রায় ২০০০ পাঠক নিবন্ধিত হয়েছেন। এ পাঠক সংখার ৩০% আমেরিকা থেকে, ৩৫% মধ্যপ্রাচ্য থেকে এবং বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশ থেকে ৩৫%। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;নোয়াখালী ওয়েব এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : (১) বৃহত্তর নোয়াখালীর স্থানীয় এবং দেশ বিদেশের বৃহত্তর নোয়াখালীর কমিউনিটির খবর তাৎক্ষনিকভাবে অনলাইনে প্রকাশ করা। এক্ষেত্রে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় নীতি হচেছ বেশি বেশি ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা, যে সংবাদ মানুষের মাঝে অনুপ্রেরণা যোগায়। (২) স্থানীয় পত্রিকাগুলোর মান উন্নোয়নে ফি! নিউজ সার্ভিস প্রদানের মধ্যদিয়ে তাদের প্রকাশনায় সহায়তা করা এবং স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন ইস্যু যেমন শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্য প্রযুক্তি, মানবাধিকার, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইত্যাদি বিষয়ে সমন্বিত লেখা প্রকাশ ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যদিয়ে স্থানীয় জনসাধারণকে সচেতন করে তোলা। যাতে করে জনসাধারণ গণ মাধ্যমের সত্যিকারের সুফল ভোগ করতে পারেন। (৩) দেশে এবং বিদেশে বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষে মানুষে, কোথাও কোথাও সংগঠনের সাথে সংগঠনের, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের সেতু বন্ধন তৈরী করা যাতে করে আঞ্চলিক উন্নয়ন সহজ থেকে সহজতর হয়। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;সবমিলিয়ে দেশে বিদেশে বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষের তাৎক্ষনিক তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাসহ নোয়াখালী ওয়েবের কমন ফ্লাটফর্মে বৃহত্তর নোয়াখালীর কমিউনিনিটিকে শক্তিশালী করা নোয়াখালী ওয়েবের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। যার মধ্য দিয়ে দেশে বিদেশে নোয়াখালীর মানুষ সম্পকে নেতিবাচক ধারনার পরিবর্তন হয়ে সবসময় ইতিবাচক ধারনা তৈরী হবে। এতে করে আমরা নোয়াখালীবাসীর স্বর্কীয়তা, নিজস্ব সংস্কৃতির ভালোদিকগুলো সবার সামনে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হবে। এছাড়া নোয়াখালী ওয়েব নিয়মিত এককভাবে অথবা নিউজ পার্টনারদের সাথে যৌথভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ক্ষেত্রে তাদের সচেতনতামূলক, সভা, সেমিনার, গোল টেবিল আলোচনা, কর্মশালা ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিযৌগিতার আয়োজন করবে।&lt;br /&gt;নোয়াখালী ওয়েব যেহেতু অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকা সেহেতু ইন্টারনেটের প্রসার এর সাথে সাথে নোয়াখালী ওয়েবের অগ্রযাত্রা অনেকটাই নির্ভরশীল। আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা অনেকেই এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও স্থানীয়ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আনুপাতিক হারে অনেক কম। ২০০৬ সালে গ্রামীন ফোন যখন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট প্রসারের লক্ষ্যে কমিউনিটি ইনফরমেশন সেন্টার (সিআইসি) এর কাজ শুরু করে তখন নোয়াখালী ওয়েব বৃহত্তর নোয়াখালীতে ইন্টারনেট প্রসারের জন্য সিআইসির পার্টনার হিসাবে কাজ করে। এসকল কাজের ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের শেষ পর্যন্ত পুরো বৃহত্তর নোয়াখালীতে ইন্টারনেট এর ভালো একটা ইউজার/পাঠক গোষ্ঠী তৈরী হয়েছে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;সহযোগী পোর্টাল : নোয়াখালী ওয়েবের সহযোগী পোর্টাল &lt;a href="http://www.greaternoakhali.com.bd/"&gt;http://www.greaternoakhali.com.bd/&lt;/a&gt; তে বৃহত্তর নোয়াখালীর জেলা টু গ্রাম পর্যন্ত সব ধরনের ইনফরমেশন প্রকাশ করা হবে। যেখান প্রতিটি জেলার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মানচিত্র, এখানকার ঐতিহ্য, বিশেষ ব্যক্তিদের প্রোপাইল 'আমাদের কৃতি সন্তান', প্রবাসীদের জন্য 'আমরা প্রবাসী' ডাটাবেইজ, সাধারণ মানুষের জন্য 'পাবলিক ডিরেক্টরি' এবং প্রাতিষ্ঠানিক অন্যান্য সব ধরনের তথ্য থাকবে, যা সার্বক্ষণিক ভাবে আপডেট হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগলেও আমাদের বর্তমান ও পরবর্তী প্রজম্ম এর মধ্য দিয়ে অনলাইনে বৃহত্তর নোয়াখালীর একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্য ভান্ডার পাবে বলে নোয়াখালী ওয়েব বিশ্বাস করে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;সহযোগী প্রকাশনা : শুধু অনলাইন নয় অফলাইনের মানুষদেরকেও সঠিক তথ্য সেবা প্রদান করা এবং এ অঞ্চলের নতুন লেখক সৃষ্টির লক্ষে 'নোয়াখালী ওয়েব' অফলাইন নামে একটি মাসিক ম্যাগাজিন প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রতিদিনকার সংবাদ প্রবাহ ছাড়াও এ অঞ্চলের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আমাদের কৃতি সন্তানসহ নিত্যনতুন বিভাগ সমৃদ্ধ হয়ে ম্যাগাজিনটি শীঘ্রই নিয়মিতভাবে পাঠকের হাতে পৌঁছবে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;ব্যাবস্থাপনা : সম্পাদকীয় বোর্ড কতৃক নোয়াখালী ওয়েব'র মূল ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হচ্ছে। তবে পত্রিকাটির মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে পত্রিকাটির একটি শক্তিশালী উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের কাজ চলছে। সাবেক কুটনৈতিক জনাব এস এম রাশেদ আহমেদ চৌধুরী, বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা জনাব মোহাম্মদ ইউসুফ কে ইতোমধ্যে এ পরিষদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর তিন জেলার জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জনকারী এবং নিজ এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক এরকম ১৫-২১ জনের সমন্বয়ে এ উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে এবং প্রতিবছর এ পরিষদ নতুনভাবে /পূণঃ মনোনীত হবে। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;জনবল : দেশে এবং বিদেশে নোয়াখালী ওয়েব এর বর্তমান সাংবাদিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ৫৫ জন। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;ব্যয় নির্বাহ : নোয়াখালী ওয়েব ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিডিএফ) এর অধীনে একটি অলাভজনক প্রকল্প। শুরু থেকে নোয়াখালী ওয়েবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক এর ব্যক্তিগত ও পরবর্তীতে তার পরিচালনাধীন ডিডিএফ এর অর্থায়নে এখন পর্যন্ত নোয়াখালী ওয়েবের ব্যয় নির্বাহ চলে আসছে। তবে প্রকল্পটিকে টেকসই করার লক্ষে নোয়াখালী ওয়েব একটি সহযোগী পরিবার গঠনের কাজ শুরু করছে। মূলত সহযোগী পরিবারের সদস্যদের মেম্বারশীপ ফি এবং কিছু বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে পত্রিকা/সংবাদ মাধ্যমটির ব্যয় নির্বাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। &lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;পরিশেষে আপনার প্রতিষ্ঠানের/সংগঠনের ইতিবাচক কর্মকান্ডের খবর পাঠিয়ে নোয়াখালী ওয়েবের প্রকাশনাকে সমৃদ্ধ করার আহবান রইল।&lt;/div&gt;&lt;div align="left"&gt;&lt;br /&gt;সম্পাদকীয় কার্যালয় : ৮৪/৭ নয়াপল্টন (চতুর্থতলা), ঢাকা-১০০০। ফোন-ফ্যাক্স : ৮৮০ ২ ৮৩১১৫৩৭, মোবাইল : ০১৯১৬৫৫৩৩৬৬&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-8066789587726581980?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/8066789587726581980/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=8066789587726581980' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/8066789587726581980'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/8066789587726581980'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/09/blog-post.html' title='বৃহত্তর নোয়াখালীর সংবাদ, সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের উন্নয়নে নোয়াখালী ওয়েব'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDe-FTkdJI/AAAAAAAAAHU/r9wEKA3xo1k/s72-c/logo.gif' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-4065431902457251734</id><published>2008-08-17T10:55:00.000+06:00</published><updated>2008-08-17T11:00:50.358+06:00</updated><title type='text'>হ্যাকার আক্রান্ত নোয়াখালী ওয়েব! সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী</title><content type='html'>&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SKewUYFODYI/AAAAAAAAACE/QeCNZBvhcJo/s1600-h/462.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5235346955949706626" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SKewUYFODYI/AAAAAAAAACE/QeCNZBvhcJo/s400/462.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SKev_SgvCMI/AAAAAAAAAB8/UB6EzaAh1CY/s1600-h/462.jpg"&gt;&lt;/a&gt;১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস । অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব এর জন্যও এটি একটি কালো দিবস। ২০০৭ সালের এদিনে নোয়াখালী ওয়েব স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক একটি হ্যাকার চক্রের কবলে পড়ে আক্রান্ত হয়েছিল। সেদিন আসলে কি ঘটেছিল তা আজকের নোয়াখালী ওয়েবের অগনতি পাঠকের কাছে অজানা। পাঠকরা যাতে বিষয়টি সঠিকভাবে জানতে পারে এবং এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে পারে সেজন্য সেদিনের ঘটনা নিয়ে লিখেছেন, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান-&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;২০০৭ সালের ১৫ আগষ্ট বুধবার দেশীয় কিছু চোর আর আন্তর্জাতিক একজন হ্যাকারের কবলে পড়ে নোয়াখালী ওয়েব। জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধায় নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদকের ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেসটি হ্যাকিং (চুরি) হয়ে যায়। যেহেতু এই ইমেইল এড্রেসটি সম্পাদকদের মালিকানাধীন তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান টেকনোল্যান্ডের ডোমেইন এবং হোস্টিং কোম্পানীতে এডমিন ইমেইল হিসাবে ব্যবহৃত সেহেতু টেকনোল্যান্ডের ডোমেইন সাইট এবং হোস্টিং এর কন্ট্রোল ও হ্যাকার এর কবলে পড়ে। এতে করে নোয়াখালী ওয়েব এবং নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ সহ টেকনোল্যান্ডের তৈরী করা বেশ কিছু কর্পোরেট ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যায়। যাদের মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম একটি সংগঠন বাংলাদেশ ক্যবল অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব), বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম, ট্রান্স কন্টিনেন্টাল শিপিং লাইন লিমিটেড, রাইটক্লিক লিমিটেড, এ্যালোহা আইশপ, ডব্লিও এনবি নিউজ ইত্যাদি। হ্যাকার কতৃক আক্রান্ত হওয়ার পর সবগুলো ওয়েব সাইট এর ডাটাবেইজ মুছে ফেলে দিয়ে পর্ণো ওয়েব সাইট লিংক করে দেয়া হয় সেদিন। এতে করে করে একদিকে যেমন লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে পাশাপাশি পর্ণোসাইট প্রদর্শিত হওয়ায় ওয়েবসাইট গুলোর সাথে জড়িত ভিজিটররা বিভ্রান্ত হয়েছে। এছাড়া ঐ সময় যারা এ ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজ করছিলেন তাদের স্ব স্ব কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছিল। আরেকটি ব্যাপার ছিল হ্যাকিং হওয়া ইমেইলটি ব্যবহার করে টেকনোল্যান্ড এর সকল ক্লাইন্ট , নোয়াখালী ওয়েব এর সকল পাঠক এবং হ্যাকিং হওয়া ইমেইলের মধ্যে স্টোরেজ করা সকল ঠিকানায় একটি ইমেইল প্রেরণ করা হয় সেদিন। যাতে টেকনোল্যান্ড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদক সম্পর্কে বিভ্রান্তি চড়ানো হয়। শুধু তাই নয় ইমেইল এর সাথে এমন একটি লিংক প্রেরণ করা হয়েছিল সেদিন যাতে ক্লিক করা মাত্র মেইল প্রাপকের কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। তখন এ ব্যাপারে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছিল, যার নং ১১০১, তারিখ : ১৮/১/২০০৭ ইং এবং ১৯/৮/২০০৭ ইং তারিখে র‌্যাব-৩ এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান জনাব জেনারেল মইন উ. আহম্মেদ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিঠি দেয়া হয়েছিল সেদিন। ২১ আগষ্ট দৈনিক যুগান্তর এবং ২২ আগষ্ট দৈনিক আমাদের সময়ে এ সংক্রান্ত সংবাদ বিশেষ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছিল। থানার সাধারণ ডায়েরী এবং র‌্যাবের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগের বক্তব্য অনুসারে যে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল তার বক্তব্য ছিল, ‘কিছুদিন ধরে নোয়াখালীর একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নুরুল আলম মাসুদ নোয়াখালী ওয়েব সম্পর্কে বিভিন্ন জনের কাছে বিষেদাগার ছড়িয়ে আসছেন। সমপ্রতি নোয়াখালীর আরেকটি উন্নয়ন সংস্থা এনআরডিএস এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ছেলে জনাব সুমিত আওয়াল নোয়াখালী যান এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নুরুল আলম মাসুদের সাথে বৈঠক করেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া জনাব সুমিত আওয়াল নিজেও নুরুল আলম মাসুদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতার কথা নোয়াখালী ওয়েব এর সম্পাদককে জানান। নোয়াখালী থেকে ফিরে আসার পর জনাব সুমিত আওয়াল আহমেদ নিতুল নামে পূর্ব পরিচিত আরেকজন ছেলে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ডিপুটি পরিচালক এর ছেলে) সহ ঘন ঘন নোয়াখালী ওয়েব অফিসে আসতে থাকেন এবং বিভিন্ন ছলছূতায় অফিসের কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। বিষয়টি নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদকের কাছে সন্দেহজনক মনে হলেও সৌজন্যের খাতিরে কিছু বলতে পারেননি। সর্বশেষ তারা যেদিন এসেছিলেন তার কিছুদিন পর ডেভিড রিক্যাচ নামে একজন আমেরিকান নোয়াখালী ওয়েব এ বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা বলে সম্পাদক বরাবর একটি মেইল করে। সম্পাদক একটি অফার লেটার প্রেরণ করলে উক্ত ডেভিড জানায় সে নোয়াখালী ওয়েবের উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞাপন দিবে। ঘটনার দিন সম্পাদক যখন বুঝতে পারে বিষয়টা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথক্ষনে আন্তর্জাতিক হ্যাকার ডেভিড অনেককিছু তার দখলে নিয়ে নেয়। মিঃ সুমিত ব্যক্তিগত জীবনে ওয়েব হোস্টিং এর ব্যবসা করে (সরকারী অনুমোদন বিহীন প্রতিষ্ঠান)। বাংলাদেশে যারা ইন্টারনেট এক্সপার্ট তাদের মধ্যে মিঃ সুমিত এবং তার সহযোগী আহমেদ নিতুল অন্যতম। অবশ্য তাদের এ মেধা ভালো কোন কাজে ব্যবহার করা হয়না। উল্লেখ্য, মিঃ সুমিত এবং আহম্মেদ নিতুল বাংলাদেশে ইন্টারনেট হ্যাকার (চোর) দের যে গ্রুপ রয়েছে তার সক্রিয় সদস্য। যারা আবার আন্তর্জাতিক ক্র্যাডিট কার্ড হ্যাকার চক্রের সাথেও জড়িত বলে ধারণা করা হয়। ইন্টারনেটে সার্চ করলে তাদের সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এছাড়া মিঃ সুমিত নোয়াখালী গ্রুপ নামে একটি ইয়াহু গ্রুপ পরিচালনা করে আসছেন ২০০৪ সাল থেকে। এদিকে নোয়াখালী ওয়েব গ্রুপ ২০০৬ সালে শুরু করলেও কার্যক্রম এবং সদস্যদের দিক দিয়ে নোয়াখালী গ্রুপ থেকে অনেকদূর এগিয়ে যায়। নোয়াখালী ওয়েব এবং নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপের সাফল্যে ইর্ষাকাতর হয়ে এবং অভিযুক্ত নুরুল আলম মাসুদের প্ররোচণায় ও আর্থিক সহায়তায় মিঃ সুমিত এ ধরনের ধ্বংসাত্বক কার্যক্রমে লিপ্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। এক্ষেত্রে মিঃ সুমিত যেহেতু হ্যাকার চক্রের সাথে জড়িত সেহেতু আন্তর্জাতিক হ্যাকার ডেভিড এর সহায়তা নিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া আহম্মেদ নিতুল নামে ছেলেটি, সে তথ্য পাচার এর দায়িত্বে ছিল বলে সম্পাদক মনে করেন। এ ঘটনার সময় প্রাণের নির্বাহী প্রধান নুরুল আলম মাসুদ ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং বিভিন্ন জনকে ফোন করে ‘নোয়াখালী ওয়েব’ এর হ্যাকিং এর খবরটি দেয়ার ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠেন। এদিকে যেসময় নোয়াখালী ওয়েব সহ নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ আক্রান্ত হয় ঠিক একই সময়ে মিঃ সুমিত এর পরিচালনাধীন নোয়াখালী গ্রুপ এর নাম পরিবর্তন করে নোয়াখালী অনলাইন গ্রুপ রাখা হয় যা নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ এর সাথে সাঞ্জস্যপূর্ণ। ঘটনার আগে মিঃ সুমিত কারণে অকারণে নোয়াখালী ওয়েব অফিসে আসলেও ঘটনার পর একবার ও নোয়াখালী ওয়েব অফিসে আসেননি কিংবা সম্পাদককে ফোন করে সমবেধনাটুকুও জানাননি। এতে করে প্রতিয়মান হয় নোয়াখালী ওয়েব , নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ এবং অন্যান্য সাইটগুলো হ্যাকিং (চুরি) এর ব্যাপারে মিঃ সুমিত আওয়াল এবং মিঃ নুরুল আলম মাসুদ, আহম্মেদ নিতুল সম্পূর্ণ রুপে জড়িত। যেহেতু বাংলাদেশে কোন সাইবার ল' (আইন) নাই সুতরাং জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;‘নোয়াখালী ওয়েব এর মত একটি সামাজিক সেবামূলক সাইট বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর মানুষদের বিরুদ্ধে একটি আঘাত ছিল সেদিন। শুধু নোয়াখালী ওয়েব নয়, পরবর্তীতে বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির ওয়েবসাইট সহ বেশকিছু ওয়েবসাইট আক্রান্ত হওয়ার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। কয়েকমাস আগে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশে সাইবার ক্রাইমের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছিল। সে থেকে বোঝা বাংলাদেশ অনেক বেশি সাইবার হুমকির মুখে রয়েছে। এতকিছুর পরও আমাদের সরকারের বিষয়টা নিয়ে এখনো টনক নড়েনি। এমতাবস্থায় সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন সহ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশ যেকোন সময় সাইবার বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশংকা বিশেষজ্ঞ মহলের। -ডেস্ক রিপোর্ট, নোয়াখালী ওয়েব। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-4065431902457251734?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/4065431902457251734/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=4065431902457251734' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4065431902457251734'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4065431902457251734'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/08/blog-post.html' title='হ্যাকার আক্রান্ত নোয়াখালী ওয়েব! সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/SKewUYFODYI/AAAAAAAAACE/QeCNZBvhcJo/s72-c/462.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-9174091507562648171</id><published>2008-08-15T06:34:00.000+06:00</published><updated>2008-08-15T06:34:39.938+06:00</updated><title type='text'>Noakhali Web | Your region, Your news</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;Noakhali Web  Your region, Your news&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-9174091507562648171?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='related' href='http://www.noakhaliweb.com.bd/' title='Noakhali Web | Your region, Your news'/><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/9174091507562648171/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=9174091507562648171' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/9174091507562648171'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/9174091507562648171'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/08/noakhali-web-your-region-your-news.html' title='Noakhali Web | Your region, Your news'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-7352651987605606240</id><published>2008-03-24T10:51:00.002+06:00</published><updated>2010-08-10T11:10:50.902+06:00</updated><title type='text'>নিউজ এলার্ট সিস্টেম চালু করেছে 'নোয়াখালী ওয়েব'</title><content type='html'>&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDfT5T4r-I/AAAAAAAAAHc/Bb5j3xp47v4/s1600/logo.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" bx="true" src="http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDfT5T4r-I/AAAAAAAAAHc/Bb5j3xp47v4/s320/logo.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div align="center"&gt;অনলাইন পত্রিকা ও কমিউনিটি পোর্টাল 'নোয়াখালী ওয়েব' তাদের নিবন্ধিত পাঠকদের জন্য নিউজ এলার্ট সিস্টেম চালু করেছে। ফলে দেশ/বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয় পত্রিকাটির পাঠকরা এখন থেকে যেকোন গুরুত্বপূর্ণ খবর কিংবা লেখা সম্পর্কে তাদের ইমেইলে নিউজ এলার্ট পাবেন। নিত্য নতুন বিভাগ সমৃদ্ধ অনলাইন পত্রিকাটি নিয়মিত পড়ার জন্য এবং নিউজ এলার্ট পাওয়ার জন্য পাঠকদের অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। তবে নিবন্ধন করা যাবে সম্পূর্ণ ফ্রি!। &lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;http://www.noakhaliweb.com.bd/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-7352651987605606240?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/7352651987605606240/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=7352651987605606240' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/7352651987605606240'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/7352651987605606240'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/03/blog-post.html' title='নিউজ এলার্ট সিস্টেম চালু করেছে &apos;নোয়াখালী ওয়েব&apos;'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TGDfT5T4r-I/AAAAAAAAAHc/Bb5j3xp47v4/s72-c/logo.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-5343753714393024495</id><published>2008-02-24T09:09:00.000+06:00</published><updated>2008-02-24T09:17:22.667+06:00</updated><title type='text'>কোম্পানীগঞ্জে ছবিসহ ভোটার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন, নোয়াখালী ওয়েব সহ বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহনে ভোটার উদ্বুদ্ধকরন র‌্যালী</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8DhV284yHI/AAAAAAAAABg/YSUuK1ngvOI/s1600-h/Voter+Reg-Companigonj.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5170380137865726066" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8DhV284yHI/AAAAAAAAABg/YSUuK1ngvOI/s400/Voter+Reg-Companigonj.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিসহ ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রনয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় উপজেলা চত্ত্বর থেকে এক বিরাট ভোটার উদ্বুদ্ধকরন র‌্যালী বসুরহাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী, অফিস, এনজিও, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগন অংশ গ্রহন করে। পরে বসুরহাট ইসলামীয় সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে ছবি তুলে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এ কাজে দায়িত্বে নিয়োজিত মেজর আকতার। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মুনির হোসেন খান, নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমান, বসুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কাদের মির্জাসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-5343753714393024495?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/5343753714393024495/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=5343753714393024495' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/5343753714393024495'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/5343753714393024495'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/02/blog-post_1122.html' title='কোম্পানীগঞ্জে ছবিসহ ভোটার রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন, নোয়াখালী ওয়েব সহ বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহনে ভোটার উদ্বুদ্ধকরন র‌্যালী'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8DhV284yHI/AAAAAAAAABg/YSUuK1ngvOI/s72-c/Voter+Reg-Companigonj.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-8524708615475751085</id><published>2008-02-24T09:06:00.000+06:00</published><updated>2008-02-24T09:09:12.357+06:00</updated><title type='text'>বসুরহাট একুশে মেলায় 'নোয়াখালী ওয়েব' পুরস্কৃত</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8Dfn284yGI/AAAAAAAAABY/gZfCvpdmzL8/s1600-h/1219.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5170378248080115810" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8Dfn284yGI/AAAAAAAAABY/gZfCvpdmzL8/s400/1219.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পাচদিন ব্যাপী একুশে মেলার শেষ দিন বৃহস্পতিবার সমাপনী দিনে অনলাইন পত্রিকা ও কমিউনিটি পোর্টল 'নোয়াখালী ওয়েব'র স্টলকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করেছে মেলা উদযাপন কমিটি। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে সরকারি মুজিব কলেজ, ২য় পুরস্কার পেয়েছে বামনী কলেজ। মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বসুরহাট সরকারি এএইচসি উচ্চ বিদ্যালয়, ২য় পুরস্কার পেয়েছে যোগিদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ৩য় পুরস্কার পেয়েছে মাকসুদাহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বসুরহাট একাডেমী, ক্রিসেন্ট প্রি ক্যাডেট স্কুল, শান্তিরহাট আইডিয়াল একাডেমী। প্রদর্শণী ও বিক্রয় কেন্দ্র পর্যায়ে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বসুরহাট কলেজ গেইটের শিক্ষা বিপনী, ২য় পুরস্কার পেয়েছে ইদ্রিছিয়া রোডের ওমেন্স গ্যালারী ও ৩য় পুরস্কার পেয়েছে কলেজ রোডের বিছমিল্লাহ ডেকোরেটর এন্ড গিফট কর্ণার।&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-8524708615475751085?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/8524708615475751085/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=8524708615475751085' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/8524708615475751085'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/8524708615475751085'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/02/blog-post_9230.html' title='বসুরহাট একুশে মেলায় &apos;নোয়াখালী ওয়েব&apos; পুরস্কৃত'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8Dfn284yGI/AAAAAAAAABY/gZfCvpdmzL8/s72-c/1219.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-6686463536220892102</id><published>2008-02-24T09:03:00.000+06:00</published><updated>2008-02-24T09:06:07.965+06:00</updated><title type='text'>বসুরহাট একুশে মেলার সমাপনী রাতে দর্শক মাতালেন কুষ্টিয়ার লালন শিল্পীরা</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp2.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8De7G84yFI/AAAAAAAAABQ/fF78rA44JsA/s1600-h/1218.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5170377479280969810" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp2.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8De7G84yFI/AAAAAAAAABQ/fF78rA44JsA/s400/1218.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পাচদিন ব্যাপী একুশে মেলার সমাপনী দিন বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) বিকালে সমাপনী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে মেলা কমিটির সদস্য সচীব ও কোমপানীগঞ্জ সাংস্কৃতিক ফোরামের আহবায়ক শহীদ উদ্দিন বাবুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মুনির হোসেন খান। বক্তব্য রাখেন, পৌর চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন চৌধুরী, ওসি রমজান হোসেন, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আবদুল কাদের মির্জা, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়ত খান, ভাষা আন্দোলনের সংগঠক বসুরহাট হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষক আবুল হাসেম, নোয়াখালী মেইল সম্পাদক মকছুদের রহমান মানিক, কবিতা পরিষদের সভাপতি আবদুল হালিম রকি, নৃত্যকলা একাডেমীর সভাপতি হারুন অর রশিদ শাহেদ, অমর সাংস্কৃতিক সংস্থা সভাপতি বাবু অজয় আচার্য্য, মুক্ত সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিম জাবেদ প্রমুখ।মেলার শেষ রাতে দর্শক মাতালেন কুষ্টিয়ার লালন শিল্পীবৃন্দ। কুষ্টিয়ার লালন একাডেমীর সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আল কাদরীর নেতৃত্বে একদল শিল্পী এতে গান পরিবেশন করেন। শিল্পীদের মধ্যে লালন শাহ সিনেমার গায়িকা ফরিদা ইয়াছমিন, লালন সঙ্গীত শিল্পী সুজন রহমান, টিপু সুলতান, মৌসুমী বালা ও কাঙ্গালীনি সুফিয়া। এ সময় তবলায় ছিলেন, ইমতিয়াজ হাসান পুলক, অক্টোপ্যাটে ছিলেন সুমন, বেজ গীটারে সনি, লীড় গিটারে হ্যাপী, কি-বোর্ডে সুজন রহমান। এ সময় কুষ্টিয়ার লালন একাডেমীর সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আল কাদরী লালন একাডেমীর সঙ্গীত শিল্পী ও দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত মামুন হোসেন রতনের চিকিৎসায় কোম্পানীগঞ্জবাসির অবদানের জন্য আন্তরীক ধন্যবাদ জানান।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-6686463536220892102?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/6686463536220892102/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=6686463536220892102' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/6686463536220892102'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/6686463536220892102'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/02/blog-post_23.html' title='বসুরহাট একুশে মেলার সমাপনী রাতে দর্শক মাতালেন কুষ্টিয়ার লালন শিল্পীরা'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp2.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8De7G84yFI/AAAAAAAAABQ/fF78rA44JsA/s72-c/1218.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-645666146274732052</id><published>2008-02-24T08:58:00.000+06:00</published><updated>2008-02-24T09:02:17.894+06:00</updated><title type='text'>কোম্পানীগঞ্জে প্রথম বারের মতো পাচদিন ব্যাপী একুশে মেলার আয়োজন, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার নোয়াখালী ওয়েব</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8DeF284yEI/AAAAAAAAABI/mNS3phXrIeM/s1600-h/1217.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5170376564452935746" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8DeF284yEI/AAAAAAAAABI/mNS3phXrIeM/s400/1217.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt; 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' উপলক্ষে প্রথম বারের মতো কোম্পানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে পাচদিন ব্যাপী একুশে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৩টায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ মুশফেকুর রহমান এ মেলার উদ্বোধন করবেন। এ নিয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম রমজান হোসেনকে আহবায়ক করে একুশে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপনের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।কমিটির সদস্য সচিব সিপিপি নেতা মোঃ শহীদ উদ্দিন বাবুল বলেন, মেলাকে ঘিরো সমগ্র বৃহত্তর নোয়াখালীতে প্রচার প্রচারনা চালানো হচ্ছে। ব্যাপক সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে। মেলায় একুশের চেতনাকে প্রাধাণ্য দিয়ে অনুষ্ঠান মালা সাজানো হয়েছে। আগামী ১৭ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারী পাচদিন ব্যাপী এ মেলার প্রস্তুতি নিয়ে সমগ্র এলাকায় ব্যাপক উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বলেও তিনি জানান।মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে ঢাকার উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ, চট্টগ্রাম বেতার ও টিভির শিল্পীবৃন্দ, সোনিয়াসহ ক্লোজআপ ওয়ান শিল্পীবৃন্দ, কুষ্টিয়ার লালন শিল্পবৃন্দসহ কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংগীত বিদ্যালয়, কোম্পনীগঞ্জ সাংস্কৃতিক ফোরাম, ব্যাঞ্জণা খেলাঘর আসর, কোম্পানীগঞ্জ কবিতা পরিষদ, অমর সাংস্কৃতিক সংগঠন, নৃত্যকলা একাডেমী, মুক্ত সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলো অংশ গ্রহন করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মেলার অনলাইন মিডিয়া পার্টনার 'নোয়াখালী ওয়েব'।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-645666146274732052?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/645666146274732052/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=645666146274732052' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/645666146274732052'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/645666146274732052'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2008/02/blog-post.html' title='কোম্পানীগঞ্জে প্রথম বারের মতো পাচদিন ব্যাপী একুশে মেলার আয়োজন, অনলাইন মিডিয়া পার্টনার নোয়াখালী ওয়েব'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R8DeF284yEI/AAAAAAAAABI/mNS3phXrIeM/s72-c/1217.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-5569204502790746896</id><published>2007-12-29T23:59:00.001+06:00</published><updated>2007-12-30T00:05:17.167+06:00</updated><title type='text'>আজ নোয়াখালী মুক্ত দিবস, ১১দিন ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা শুরু</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp3.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R3aMNyAE4sI/AAAAAAAAABA/IndDC3h7OCk/s1600-h/7+december+noakhali+mukto+dibos.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5149457392333021890" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp3.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R3aMNyAE4sI/AAAAAAAAABA/IndDC3h7OCk/s320/7+december+noakhali+mukto+dibos.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="center"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;৭ ডিসেম্বর শুক্রবার নোয়াখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে এক রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নোয়াখালী জেলা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিলো। মুক্তি সেনারা এ দিন মাইজদী পিটিআইতে রাজাকারদের শক্ত ঘাটির পতন ঘটিয়ে নোয়াখালীর মাটিতে উড়েছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা। জেলা শহর মাইজদী কোর্ট এবং আশপাশের জনপদ একাত্তরের এ দিনে ভোর না হতেই বিজয়ের আনন্দে জয়বাংলা শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছিলো। ২৫ মার্চের পর মুক্তিযোদ্ধারা প্রায় একমাস নোয়াখালীকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিলো। এরপর প্রতিপদে বাধা পেয়ে বহু কষ্টে পাকিস্তানীরা ২৩ এপ্রিল নোয়াখালী দখল করে নেয়। এরপর দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারত থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ নিয়ে আবার অস্ত্র হাতে মাঠে নামে মুক্তিযোদ্ধারা। সাথে ছিল এফএফ ও বিএলএফ। অনেক রক্ত আর আত্মত্যাগের বিনিময়ে ৪ ডিসেম্বর সমস্ত পরিকল্পনা চুড়ান্ত করে ৫ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের সব দল এক সাথে মাইজদী কোর্ট আক্রমন করে। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী মুক্তিবাহিনী কতৃক শহর ঘিরে ফেলার সংবাদ পেয়ে উত্তর দিক দিয়ে পালিয়ে বেগমগঞ্জ-সোনাইমুড়ি হয়ে লাকসাম অতিক্রম করে কুমিল্লা ক্যান্টেনমেন্টে আশ্রয় নেয়। কিন্তু জেলার বিভিন্ন ক্যাম্পে দুই শতাধিক রাজাকার পিটিআই ক্যাম্পে থেকে যায়। তাদের পরাভূত করতে দুই দিন যুদ্ধ করতে হয়। অবশেষে ৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা নোয়াখালীর মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা। এ উপলক্ষে নোয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১১দিন ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) থেকে। মুক্ত নোয়াখালী স্মারকস্তম্বে শুক্রবার বিকাল ৩টায় এ মেলার উদ্বোধন করবেন কোম্পানীগঞ্জের বাঞ্চারামযুদ্ধে শহীদ ওহিদুর রহমান অদুদের বড়ভাই মোঃ বদিউর রহমান ও বৃহত্তর নোয়াখালী মুজিব বাহিনীর কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুর রহমান বেলায়েত। অনুষ্ঠানে সাবেক এমপি ফজলে এলাহীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি থাকবেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুল কবির চৌধুরী। মেলা পরিচালনার জন্য নোয়াখালী কামন্ডার মোজাম্মেল হক মিলনকে আহবায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোয়াররফ হোসেনকে যুগ্ম আহবায়ক করে জেলার সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেলায় অর্ধ শতাধিক স্টলে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন মুহুর্তকে উপস্থাপন করা হয়েছে। মেলায় প্রতিদিন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। আজ (শুক্রবার, ৭ ডিসেম্বর) কোম্পানীগঞ্জে ও মুক্ত দিবস। এ উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবু নাছের জানান, শুক্রবার সকাল ৭টায় ১৬ নাম্বার সুইচ গেইটে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর জেয়ারত ও পূষ্পমাল্য অর্পন, ১০টায় র্যালী শেষে উপজেলা শহীদ মিনারে পূষ্পমাল্য অর্পন ও আলোচনা সভা করবেন। ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযোদ্ধারা বর্তমান কোম্পানীগঞ্জ থানায় স্থাপিত রাজাকার ক্যাম্পে আক্রমন করে পাকমিলিশিয়া বাহিনীর ৯০জন সশস্ত্র সদস্যকে আত্মসমর্পনে বাধ্য করে কোম্পানীগঞ্জকে মুক্ত ঘোষনা করে। এর আগে ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দেশ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলে ওই রাতেই এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকার ক্যাম্পগুলোতে আক্রমন করে হানাদার বাহিনীর সদস্যদেরকে পরাজিত করে। সেই থেকে ৭ ডিসেম্বর কোম্পানীগঞ্জের ইতিহাসে একটি অবিস্মরনীয় দিন হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। সশস্ত্র সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ওই লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী ও ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান বলেন, ১৯৭১সালের ৪ সেপ্টেম্বর এ অঞ্চলের কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাবাজারে অভিযানে যায়। কিন্তু পাকমিলিশিয়ারা মুক্তি বাহিনীর আগমন বার্তা পেয়ে স্থান ত্যাগ করে ১৪নাম্বার সুুইচ-এ বাঞ্চারাম রাস্তার মাথায় বেড়ীবাঁধের উপর ওঁতপেতে থাকে এবং রাজ্জাকের নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে আসার সময় অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে অংশ গ্রহণকারী ১১জন বীর যোদ্ধার মধ্যে ৬জনই ঘটনাস্থলে নিহত হয়। নিহত ৬জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে বেগমগঞ্জের ছালেহ আহম্মদ মজুমদার, আখতারুজ্জামান লাতু, সোনাপুরের আবদুর রব বাবু, সিরাজপুরের ইসমাইল এবং মুছাপুরের মোস্তফা কামাল ভুলুর লাশ ১৬নং স্লুইচে দাফন করা হয়। এ ছাড়া নিহত ফারুকের লাশ নদীতে পড়ে ভাটার টানে চলে যাওয়ায় পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-5569204502790746896?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/5569204502790746896/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=5569204502790746896' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/5569204502790746896'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/5569204502790746896'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2007/12/blog-post.html' title='আজ নোয়াখালী মুক্ত দিবস, ১১দিন ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা শুরু'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp3.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/R3aMNyAE4sI/AAAAAAAAABA/IndDC3h7OCk/s72-c/7+december+noakhali+mukto+dibos.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-5045293111448313704</id><published>2007-10-08T17:30:00.000+06:00</published><updated>2007-10-08T17:35:19.091+06:00</updated><title type='text'>অন্তহীন সমস্যায় জর্জরিত সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, কতৃপক্ষ নজর দিবেন কি?</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/RwoV3QvgCqI/AAAAAAAAAA0/cAWCtt3gfVg/s1600-h/601.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5118927965591177890" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/RwoV3QvgCqI/AAAAAAAAAA0/cAWCtt3gfVg/s320/601.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="center"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;সাইফুল্যাহ কামরুল : জীর্ণশীর্ণ অফিস কার্যালয়, প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবসহ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত সোনাইমুড়ী উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসটি। ধূঁকে ধূঁকে যার সমস্ত কাঠ টিন ঝরে পড়ছে। শত বছর পার হয়ে গেলে ও এই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ছিঁটে ফোটা উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। অপরদিকে এই অফিসের নিরাপত্তা বেস্টনি না থাকায় স্থানীয় এক শ্রেনীর ভূগ্রাসী চক্র দিনদিন যেমন এর মূল্যবান সম্পত্তি দখল করার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে অপরদিকে অরক্ষিত স্থানটিতে দিনে রাতে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, ১৯০৬ সালে প্রায় ১ একর ৮৪ শতাংশ ভূমির ওপর সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসটি স্থাপিত হয়। বর্তমানে এর আওতায় নবগঠিত সোনাইমুড়ী উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার সকল জমি ক্রয়-বিক্রয় কাজ সম্পাদন করা হয়। প্রতি মাসে কয়েকশ' দলিলের কাজ সম্পাদন করে সরকারি কোষাগারে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব জমা দিলে এর ভাগ্যে সিকি পয়সার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বেশ কয়েকবার সোনাইমুড়ী সাব -রেজিস্ট্রি অফিসের জীর্ণশীর্ণ টিন শেড দিয়ে তৈরী কার্যালয়ের স্থলে নতুন পাকা ভবন নির্মানের জন্য টাকা বরাদ্দ করে সরকার। কিন্তু পরে সেই বরাদ্দকৃত টাক পাশ্ববর্তী চাটখিল উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভবনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আবার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিরাপত্তা বেস্টনি নির্মানের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হলেও সেই টাকা পাশ্ববর্তী সেনবাগ উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিসের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এভাবে বার বার টাকা বরাদ্দ আসলেও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রভাবে সোনামুড়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস রয়ে গেছে অবহেলিত। পাশ্ববর্তী সকল উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলো পাকা ভবন হলেও এখানকার অফিসটি জীর্ণশীর্ণ টিনশেডেই রয়ে গেছে। অথচ এর বছরের রাজস্ব আয় অন্যান্যদের চেয়ে কম নয়। পুরাতন টিনশেড ঘরে বর্তমানে এখানে যাবতীয় কাজ সম্পাদন করতে কর্মকর্তা- কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলে পানিতে এখানকার মূল্যবান দলিলপত্র ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। স্টোর রুম না থাকায় প্রয়োজনীয় দলিলপত্র যেখানে সেখানে রাখার কারনে দৈনন্দিন যাবতীয় কাজ করতে সকলকে সমস্যায় পড়তে হয় এবং মূল্যবান দলিলপত্রও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে এখানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাঁদা তুলে সামান্য কিছু কাজ করে থাকেন। বর্তমানে এ অফিসে ২৫ জন দলিল সম্পাদনের কাজ করার কাজে নিয়োজিত থাকলেও তার মধ্যে ১৯ জন নকলনবীশ অস্থায়ী অবস্থায় আছে। এই অস্থায়ী নকলনবীশরা নানাবিধ কস্টে বসে কাজ করে থাকে। এ ব্যপারে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অস্থায়ী নকলনবীশ ও সোনাইমুড়ী পৌরসভার কমিশনার বদরুল আলম জানান, স্থাণীয় বিভিন্ন সময়ে নির্বাচিত সাংসদদের ব্যর্থতার কারনে বরাদ্দকৃত টাকা অন্যত্র নিয়ে গেছে। তিনি আরো জানান, বিশাল এ সম্পত্তির নিরাপত্তা বেস্টনী না থাকায় স্থাণীয় এক শ্রেনীর ভূমি লিপ্সু দখলদার চক্র দিন দিন এই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মূল্যবান সম্পত্তি দখল করার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। অরক্ষিত এই এলাকায় দিনে ও রাতে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলায় ও মাদক সেবীদের জমজমাট বেচাকেনার স্থানে পরিনত হয়েছে। অপর নকল নবীশ মাইনউদ্দীন জানান, বিভিন্ন খাত থেকে প্রতিমাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ও বেশী এই রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়। অতচ এর অবকাঠামোগত কোন উন্নয়ন এ পর্যন্ত হয়নি। সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রার অমরেন্দ্র লাল ভৌমিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এর উন্নয়ন কাজের জন্য বার বার বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান, অমানবিক কষ্ট করে তারা এখানে সকলে কাজ করছেন। এছাড়া জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা বৃদ্ধ পুরুষ ও মহিলাদের সবচেয়ে বেশী কষ্ট করতে হয়। তাদের বসার জন্য কোন বিশ্রামাগার, টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকায় চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। তিনি এই কার্যালটির যাবতীয় উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকারের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-5045293111448313704?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/5045293111448313704/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=5045293111448313704' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/5045293111448313704'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/5045293111448313704'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2007/10/blog-post.html' title='অন্তহীন সমস্যায় জর্জরিত সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, কতৃপক্ষ নজর দিবেন কি?'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/RwoV3QvgCqI/AAAAAAAAAA0/cAWCtt3gfVg/s72-c/601.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-4798075872486063892</id><published>2007-10-08T17:26:00.000+06:00</published><updated>2007-10-08T17:28:51.944+06:00</updated><title type='text'>Noakhali Web News Published in The Daily Jugantor</title><content type='html'>Today&lt;br /&gt;08-October-2007&lt;br /&gt;Noakhali Web News Published in The Daily Jugantor&lt;br /&gt;&lt;a href="http://jugantor.com/online/news.php?id=101752&amp;amp;sys=3"&gt;http://jugantor.com/online/news.php?id=101752&amp;amp;sys=3&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;Please follow the News and try to write in our Eid Special Issu.&lt;br /&gt;Email : &lt;a href="mailto:info@noakhaliweb.com.bd"&gt;info@noakhaliweb.com.bd&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;Thanking You&lt;br /&gt;Editor, Noakhali Web&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.noakhaliweb.com.bd/"&gt;www.noakhaliweb.com.bd&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-4798075872486063892?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/4798075872486063892/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=4798075872486063892' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4798075872486063892'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/4798075872486063892'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2007/10/noakhali-web-news-published-in-daily.html' title='Noakhali Web News Published in The Daily Jugantor'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5096207241917137222.post-6203152968289687980</id><published>2007-09-19T00:51:00.001+06:00</published><updated>2007-09-19T01:02:56.379+06:00</updated><title type='text'>দেশীয় চোর আর আন্তর্জাতিক হ্যাকারের আক্রমনে নোয়াখালী ওয়েব, পাঠকদের কাছে জবাবদিহিতা</title><content type='html'>&lt;a href="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/RvAgoCNXvLI/AAAAAAAAAAU/7aG9sRGNxbY/s1600-h/462.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5111621449225321650" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; CURSOR: hand; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/RvAgoCNXvLI/AAAAAAAAAAU/7aG9sRGNxbY/s320/462.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;১৫ আগষ্ট বুধবার দেশীয় কিছু চোর আর আন্তর্জাতিক একজন হ্যাকারের কবলে পড়ে নোয়াখালী ওয়েব। ঘটনার দিন সন্ধায় টেকনোল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদকের ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হ্যাকিং (চুরি) হয়ে যায়। যেহেতু এই ইমেইল এড্রেসটি টেকনোল্যান্ডের ডোমেইন এবং হোস্টিং কোম্পানীতে এডমিন ইমেইল হিসাবে ব্যবহৃত সেহেতু টেকনোল্যান্ডের ডোমেইন সাইট এবং হোস্টিং এর কন্ট্রোল ও হ্যাকার এর কবলে পড়ে। এতে করে নোয়াখালী ওয়েব এবং নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ সহ টেকনোল্যান্ডের তৈরী করা বেশ কিছু কর্পোরেট ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যায়। যাদের মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম একটি সংগঠন বাংলাদেশ ক্যবল অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব), বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম, ট্রান্স কন্টিনেন্টাল শিপিং লাইন লিমিটেড, রাইটক্লিক লিমিটেড, এ্যালোহা আইশপ, ডবি্লও এনবি নিউজ ইত্যাদি। হ্যাকার কতৃক আক্রান্ত হওয়ার পর সবগুলো ওয়েব সাইট এর ডাটাবেইজ মুছে ফেলে দিয়ে পর্ণো ওয়েব সাইট লিংক করে দেয়া হয়েছে। এতে করে করে একদিকে যেমন লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে পাশাপাশি পর্ণোসাইট প্রদর্শিত হওয়ায় ওয়েবসাইট গুলোর সাথে জড়িত ভিজিটররা বিভ্রান্ত হয়েছে এবং হচ্ছে এছাড়া স্ব স্ব কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হচ্ছে। ওয়েবসাইটগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে এবং ভিজিটরদের সাইট ভিজিট করা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা যাছে। আরেকটি ব্যাপার হল হ্যাকিং হওয়া ইমেইলটি ব্যবহার করে টেকনোল্যান্ড এর সকল ক্লাইন্ট , নোয়াখালী ওয়েব এর সকল পাঠক এবং হ্যাকিং হওয়া ইমেইলের মধ্যে স্টোরেজ করা সকল ঠিকানায় একটি ইমেইল প্রেরণ করা হয়। যাতে টেকনোল্যান্ড এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদক সম্পর্কে বিভ্রান্তি চড়ানো হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট গল্প। শুধু তাই নয় ইমেইল এর সাথে এমন একটি লিংক প্রেরণ করা হয় যাতে ক্লিক করা মাত্র স্ব স্ব কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে, যার নং ১১০১, তারিখ : ১৮/১/২০০৭ ইং এবং ১৯/৮/২০০৭ ইং তারিখে রাব-৩ এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান জনাব জেনারেল মইন উ. আহম্মেদ এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিঠি দেয়া হয়েছে। গত ২১ আগষ্ট দৈনিক যুগান্তর এবং ২২ আগষ্ট দৈনিক আমাদের সময়ে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। থানার সাধারণ ডায়েরী এবং রাবের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগের সূত্র ধরে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে নোয়াখালীর একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নুরুল আলম মাসুদ নোয়াখালী ওয়েব সম্পর্কে বিভিন্ন জনের কাছে বিষেদাগার ছড়িয়ে আসছেন। সমপ্রতি নোয়াখালীর আরেকটি উন্নয়ন সংস্থা এনআরডিএস এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ছেলে জনাব সুমিত আওয়াল নোয়াখালী যান এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নুরুল আলম মাসুদের সাথে বৈঠক করেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া জনাব সুমিত আওয়াল নিজেও নুরুল আলম মাসুদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতার কথা নোয়াখালী ওয়েব এর সম্পাদককে জানান। নোয়াখালী থেকে ফিরে আসার পর জনাব সুমিত আওয়াল আহমেদ নিতুল নামে পূর্ব পরিচিত আরেকজন ছেলে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ডিপুটি পরিচালক এর ছেলে) সহ ঘন ঘন নোয়াখালী ওয়েব অফিসে আসতে থাকেন এবং বিভিন্ন ছলছূতায় অফিসের কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। বিষয়টি নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদকের কাছে সন্দেহজনক মনে হলেও সৌজন্যের খাতিরে কিছু বলতে পারেননি। সর্বশেষ তারা যেদিন এসেছিলেন তার কিছুদিন পর ডেভিড রিক্যাচ নামে একজন আমেরিকান নোয়াখালী ওয়েব এ বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা বলে সম্পাদক বরাবর একটি মেইল করে। সম্পাদক একটি অফার লেটার প্রেরণ করলে উক্ত ডেভিড জানায় সে নোয়াখালী ওয়েবের উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞাপন দিবে। ঘটনার দিন সম্পাদক যখন বুঝতে পারে বিষয়টা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথক্ষনে আন্তর্জাতিক হ্যাকার ডেভিড অনেককিছু তার দখলে নিয়ে নেয়। মিঃ সুমিত ব্যক্তিগত জীবনে ওয়েব হোস্টিং এর ব্যবসা করে। বাংলাদেশে যারা ইন্টারনেট এক্সপার্ট তাদের মধ্যে মিঃ সুমিত এবং তার সহযোগী আহমেদ নিতুল অন্যতম। অবশ্য তাদের এ মেধা ভালো কোন কাজে ব্যবহার করা হয়না। জানা যায় মিঃ সুমিত এবং আহম্মেদ নিতুল বাংলাদেশে ইন্টারনেট হ্যাকার (চোর) দের যে গ্রুপ রয়েছে তার সক্রিয় সদস্য। ইন্টারনেটে সার্চ করলে তাদের সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এছাড়া মিঃ সুমিত নোয়াখালী গ্রুপ নামে একটি ইয়াহু গ্রুপ পরিচালনা করে আসছেন ২০০৪ সাল থেকে। এদিকে নোয়াখালী ওয়েব গ্রুপ ২০০৬ সালে শুরু করলেও কার্যক্রম এবং সদস্যদের দিক দিয়ে নোয়াখালী গ্রুপ থেকে অনেকদূর এগিয়ে যায়। নোয়াখালী ওয়েব এবং নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপের সাফল্যে ইর্ষাকাতর হয়ে এবং অভিযুক্ত নুরুল আলম মাসুদের প্ররোচণায় ও আর্থিক সহায়তায় মিঃ সুমিত এ ধরনের ধ্বংসাত্বক কার্যক্রমে লিপ্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে মিঃ সুমিত যেহেতু হ্যাকার চক্রের সাথে জড়িত সেহেতু আন্তর্জাতিক হ্যাকার ডেভিড এর সহায়তা নিয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া আহম্মেদ নিতুল নামে ছেলেটি তথ্য পাচার এর দায়িত্বে ছিল বলে সম্পাদক মনে করেন। এ ঘটনার সময় মিঃ নুরুল আলম মাসুদ ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং বিভিন্ন জনকে ফোন করে খবরটি দেয়ার ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠেন। এদিকে যেসময় নোয়াখালী ওয়েব সহ নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ আক্রান্ত হয় ঠিক একই সময়ে মিঃ সুমিত এর পরিচালনাধীন নোয়াখালী গ্রুপ এর নাম পরিবর্তন করে নোয়াখালী অনলাইন গ্রুপ রাখা হয় যা নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ এর সাথে সাঞ্জস্যপূর্ণ। ঘটনার আগে মিঃ সুমিত কারণে অকারণে নোয়াখালী ওয়েব অফিসে আসলেও ঘটনার পর একবার ও নোয়াখালী ওয়েব অফিসে আসেননি কিংবা সম্পাদককে ফোন করে সমবেধনাটুকুও জানাননি। এতে করে প্রতিয়মান হয় নোয়াখালী ওয়েব , নোয়াখালী ওয়েব অনলাইন গ্রুপ এবং অন্যান্য সাইটগুলো হ্যাকিং (চুরি) এর ব্যাপারে মিঃ সুমিত আওয়াল এবং মিঃ নুরুল আলম মাসুদ সম্পূর্ণ রুপে জড়িত। যেহেতু বাংলাদেশে কোন সাইবার ল' (আইন) নাই সুতরাং জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনই কোন ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। সুতরাং অপরাধীদের বিচারের ভার নোয়াখালী ওয়েবের অগনিত পাঠক এবং সুভাকাংখীদের উপর অর্পন করা হল। নোয়াখালী ওয়েব এর মত একটি সামাজিক সাইট বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর উপর একটি আঘাত বলে আমরা মনে করি। তাই এ ধরনের চক্রান্তকারীদের থেকে সতর্ক থাকার জন্য বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর সকল জনসাধারণ, দেশে বিদেশে অগনিত পাঠক ও শুভাকাংখীদের প্রতি অনুরোধ করা যাচ্ছে। যেহেতু আমাদের প্রিয় অনলাইন গ্রুপটির নিয়ন্ত্রন এখন হ্যাকারের হাতে সুতরাং সবাইকে গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। শীঘ্রই আমরা নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব যার মাধ্যমে আমরা বৃহত্তর নোয়াখালীবাসী একে অপরের সাথে যোগাযোগ গড়ে তুলতে সক্ষম হব। পাঠকদের ভালোবাসাই আমাদের অনুপ্রেরনা। তাই নতুন ঠিকানায় আমরা আবার ফিরে এসেছি। চুড়ান্তভাবে আগামী ১সেপ্টেম্বর থেকে আমাদের নিয়মিত প্রকাশনা শুরু হবে। আপনাদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দূঃখিত। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে নোয়াখালী ওয়েবকে আমরা একটি সুনির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারব।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;সম্পাদক নোয়াখালী ওয়েব &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;+৮৮ ০১৭২০১২৪২০৪ &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5096207241917137222-6203152968289687980?l=noakhaliweb.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/feeds/6203152968289687980/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5096207241917137222&amp;postID=6203152968289687980' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/6203152968289687980'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5096207241917137222/posts/default/6203152968289687980'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://noakhaliweb.blogspot.com/2007/09/blog-post.html' title='দেশীয় চোর আর আন্তর্জাতিক হ্যাকারের আক্রমনে নোয়াখালী ওয়েব, পাঠকদের কাছে জবাবদিহিতা'/><author><name>www.noakhaliweb.com.bd</name><uri>http://www.blogger.com/profile/14654955943364246846</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='30' height='9' src='http://1.bp.blogspot.com/_hmIr1P2QuR4/TDLpwhymg5I/AAAAAAAAAFs/ZvE3W0Z4PkA/S220/logo.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://bp1.blogger.com/_hmIr1P2QuR4/RvAgoCNXvLI/AAAAAAAAAAU/7aG9sRGNxbY/s72-c/462.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry></feed>
