Tuesday, August 10, 2010
নোয়াখালী ওয়েব পৃষ্ঠপোষক পরিষদের প্রথম সদস্য মোহাম্মদ কাজল
মোহাম্মদ কাজল। কাজল নামেই যিনি সর্বাধিক পরিচিত। জীবন ও জীবিকার তাগিদে প্রবাসে জীবন-যাপন করলেও সমাজ ও দেশমাতৃকার জন্য এই তরুণ যুবকটির অবদান সত্যিই অনস্বীকার্য। দেশের অসহায় ও ক্ষুধাপীড়িত মানুষদের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর আজন্ম স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রত্যয়েই তিনি অন্যের চাকুরীর পরিবর্তে ব্যবসাকেই জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেচে নিয়েছিলেন। স্থানীয় বসুরহাট বাজারে ‘শতরূপা’ নামের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু হলেও তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তা ছিল নিতান্তই অপ্রতুল। অবশেষে তাঁর লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যেই তিনি ১৯৯৫ সালের জানুয়ারী মাসে পাড়ি দেন সুদূর আমেরিকায়। যেখানে আজ সে একজন অন্যতম সফল ব্যবসায়ী। পাশাপাশি জন্মভূমির জন্যও দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী একজন কৃর্তীমান সমাজ সেবক।
জন্ম ও শিক্ষা: পৈত্রিক নিবাস নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদনগর গ্রামে ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ কাজল। পিতা আলহাজ্ব সুলতান আহাম্মদ এবং মাতা আনোয়ারা বেগম। তার বাবা আলহাজ্ব সুলতান আহমেদ বসুরহাট বাজারের একজন নামকরা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি বাবা-মায়ের ২য় সন্তান। প্রকৃতির অকৃত্রিম মায়া আর মমতায় ঘেরা গ্রাম মোহাম্মদনগরেই কেটেছে তাঁর শৈশব ও কৈশর। সেখানে মানিকপুর হাইস্কুলে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় এবং একই স্কুল থেকে ১৯৮৮ সালে তিনি কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেন। অতঃপর বসুরহাট সরকারী মুজিব কলে থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে বিএ পাস করেন। বর্তমানে বসুরহাট টিএন্ডটি রোডে তার তৈরি আধুনিক বহুতল বাড়িতে তার পরিবারের সদস্যরা বসবাস করছেন। এছাড়া পৌর মার্কেট সংলগ্ন নিজেদের খাজা মার্কেট ও খাজা বেকারী তার বাবা ও ছোট ভাইয়েরা সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছেন।
ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অর্থের প্রয়োজনীয়তা ছাত্রজীবন থেকেই তিনি তীব্রভাবে উপলব্দি করতে থাকেন। তাই সময়ের দাবীতেই শিক্ষা জীবনের ইতি টেনে ১৯৯২ সালে বসুরহাট বাজারে ‘শতরূপা’ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মধ্য দিয়েই তিনি কর্মজীবনের সূত্রপাত করেন। কিন্তু ঐ ব্যবসায় তার প্রয়োজন আর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ছিল অসঙ্গতিঁপূর্ণ।
অবশেষে ১৯৯৫ সালে তিনি পাড়ি জমান আটলান্টিকের ওপারে স্বপ্নের দেশ আমেরিকায়। অনেক কষ্ট আর ত্যাগ তিতিক্ষার পর ১৯৯৮ সালে তিনি আমেরিকার মেরিল্যান্ড স্টেটের বাল্টিমোর শহরে সারাটোগা রোডে ‘বিছমিল্লাহ বডি ওয়েল এন্ড ভ্যারাইটি ষ্টোর’ নামে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। কালক্রমে তিনি আরো বড়ো আকারের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। যেগুলোর নাম ‘ফাতেমা মিনি মার্ট’ এবং ‘সারাটোগা বিউটি এন্ড বারবার সাপ্লাই’।
‘বিছমিল্লাহ’ পড়ে কর্ম শুরু করলে তার প্রতি আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকত বর্ষিত হতে থাকে। যা বাল্যকালে মা-বাবা এবং মক্তবে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে শিখানো হয়। তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে তরুণ যুবক মোহাম্মদ কাজলের জীবনে। ‘বিছমিল্লাহ’ নাম দিয়ে শুরু করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই তার ভাগ্যের চাকাতে পারোদমে ঘুরিয়ে দিয়েছে। সু-প্রসন্ন করে দিয়েছে তাঁর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ ও গতি। চাওয়া-পাওয়ার অনেক সিঁড়ি ডিঙ্গিয়ে আজ সে একজন সফল পুরুষ। বাবা মায়ের গর্বিত সন্তান।
পারিবারিক জীবন: নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার আমেরিকান প্রবাসী জনাব নূর হোসেনের ৫ম কন্যা ফাতেমা আক্তার সুমীর সাথে ১৯৯৯ সালের ১১ নভেম্বর মোহাম্মদ কাজল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০০৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের কোল জুড়ে আসে একমাত্র পুত্র সন্তান রায়হান আহমেদ। বর্তমানে সে আমেরিকার মেরিল্যান্ড স্টেটে ‘আর রাহমান ইসলামিক স্কুল’ এর প্রথম শ্রেণীর ছাত্র। মোহাম্মদ কাজল পরিবারের ৭ ভাই-বোনের মধ্যে ২য়। তার বড় এক বোন। ছোট তিন বোনসহ মোট চার বোনই ব্যক্তিগত জীবনের বিবাহিত এবং সুখী জীবনের অধিকারীনি। ছোট দুই ভাই নজরুল ইসলাম এবং কামরুল ইসলাম স্বপন বসুরহাটে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।
সমাজসেবা: মোহাম্মদ কাজলের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিজ বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত ‘আলহাজ্ব সুলতান-আনোয়ারা ফাউন্ডেশন’। প্রতিষ্ঠার পর পরই তার মাধ্যমে তিনি ‘সখিনা খাতুন (দাদী)’র নামে ফ্রি ক্লিনিক চালু করেন। যার মাধ্যমে প্রতি শুক্রবারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মাধ্যমে গরীব ও অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। ২০০৫ সাল থেকে অদ্যাবধি এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে সূচারুরূপে। আমাদের শিক্ষার মানোন্নয়ন তথা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ‘বসুরহাট একাডেমীর’ মাধ্যমে ২০০৬ সালে তিনি চালু করেন ‘আলহাজ্ব সুলতান আনোয়ারা স্কলারশীপ’। পূর্বে অন্য একটি প্রবাসী সংস্থা ঐ বৃত্তি প্রদান শুরু করলে তিনিও ঐ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে ঐ সংস্থাটি হাত ঘুটিয়ে নিলে ২০০৬ সাল থেকে মোহাম্মদ কাজল এককভাবে ‘আলহাজ্ব সুলতান আনোয়ারা ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমেই ঐ বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম এখনো চালিয়ে আসছেন। এই প্রকল্পের আওতায় তিনি প্রতি বছর ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর ২৫ জন করে ৭৫ জন এবং ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণী থেকে ২০ জন করে ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি প্রদান করে থাকেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর এই অনবদ্য ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তিনি বসুরহাটের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বসুরহাট একাডেমীর পরিচালক ও বসুরহাট নার্সিং হোমের প্রতিষ্ঠাতা পরিষদ সদস্য। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের একটি শিশুদের পড়ালেখা ও সঠিকভাবে গড়ে ওঠা এবং অপরটি এলাকার লোকজনকে সঠিক ও সল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।
মোহাম্মদ কাজলের সমাজ সেবার আরেক অন্যতম নিদর্শন ‘বায়তুন নাজাত জামে মসজিদ’। গ্রাম বাংলার ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সুযোগ প্রদানের প্রত্যয়ে তিনি উত্তর পশ্চিম চরকাঁকড় গ্রামের (২নং ওয়ার্ড) কামলারপুল নামকস্থানে প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেন অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ‘বায়তুন নাজাত জামে মসজিদ কমপ্লেক্স’।
এছাড়াও স্বীয় জন্মস্থান কোম্পানীগঞ্জের সাহায্য প্রার্থী সকল দরিদ্র জনগণের ডাকে তিনি থাকেন সদা জাগরুক। মেয়ের বিয়ের জন্য কন্যা-দায়গ্রস্থ পিতা-মাতার আহ্বানে তার সাহায্যের হাত থাকে উন্মুক্ত। এলাকার অসহায় ও দরিদ্রদের শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য তিনি সাধ্যানুযায়ী আর্থিক সাহায্য করে আসছেন অকাতরে। উদার মনের এই তরুণ যুবক সুদূর আমেরিকাতেও আঞ্চলিক সংগঠন সমূহের সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশমাতৃকার ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের সার্বিক সেবা প্রদান করে আসছেন।
মোহাম্মদ কাজল প্রবাসের অসংখ্য সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করে প্রবাসী বাঙালীদের কল্যাণে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি মেরিল্যান্ড বাংলা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পিলাভেলফিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট, নিউইয়র্কস্থ কোম্পানিগঞ্জ সমিতির সদস্য, গ্রেটার নোয়াখালী সমিতির সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটি সদস্য, ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সদস্য দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন।
মে ২০১০ থেকে তিনি নোয়াখালী ওয়েবের পৃষ্ঠপোষক পরিবারে সম্পৃক্ত হয়ে পত্রিকাটির কল্যাণে নিয়মিত সহযোগিতা দিয়ে আসছেন।
দেশ ও দেশের দরিদ্র জনগণের পরম হীতাকাঙ্ক্ষী এই কৃর্তীমান যুবক তার স্বপ্ন পুরণে দূর্বার গতীতে এগিয়ে চলুক এবং তাঁর এই উদ্দীপনা ও কর্মচাঞ্চল্যতা এবং সাহায্যের হাত উত্তরোত্তর সম্প্রসারিত হোক। সৃষ্টিকর্তার নিকট এই প্রার্থনাই আমাদের সকলের।
সম্পাদনায়: ইকবাল হোসেন মজনু, নির্বাহী সম্পাদক, নোয়াখালী ওয়েব।
http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&newsId=8334
নোয়াখালী ওয়েব’র পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য হওয়ার জন্য করণীয়
‘নোয়াখালী ওয়েব’ বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির একমাত্র অনলাইন পত্রিকা। যা দেশে-বিদেশে এ কমিউনিটির মানুষকে দীর্ঘ ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিনামূল্যে সংবাদ ও তথ্য সেবা দিয়ে আসছে। তথ্য নির্ভর ডিজিটাল পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’কে টেকসই এবং আরও অগ্রসর করার লক্ষ্যে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির প্রতিষ্ঠিত ও ভালো মন-মানসিকতার অধিকারী লোকজনদের সমন্বয়ে একটি পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠনের উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্যদের করণীয়/সুবিধাঃ
১। একজন পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য নোয়াখালী ওয়েব কে বাৎসরিক ১,২০,০০০/- (একলক্ষ বিশ হাজার টাকা) অনুদান হিসাবে নোয়াখালী ওয়েব এর নামে ক্লিয়ারিং চেক অথবা ব্যাংক ডিপোজিট (ক্যাশ / টিটি) এর মাধ্যমে প্রদান করিবেন।
২। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যদের অনুদানের টাকা বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনার ভিত্তিতে নোয়াখালী ওয়েব এর কারিগরী ব্যবস্থাপনা, টিম ও অফিস ব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, জাতীয় পর্যায়ে কমিউনিটির বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক সেমিনার/গোলটেবিল আলোচনা, স্থানীয় পর্যায়ে তিন জেলায় তথ্য প্রযুক্তির উপর সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান, বার্ষিক ক্যালেন্ডার, পোষ্টার এবং স্টিকার প্রকাশ ও বন্টন, টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নোয়াখালী ওয়েব’র সার্বিক কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
৩। অনুদান প্রদানকারী নোয়াখালী ওয়েব’র পৃষ্ঠপোষক পরিবারের একজন সম্মানিত সদস্য হিসাবে মনোনীত হবেন। ফলে নোয়াখালী ওয়েব’র সাইটে পৃষ্ঠপোষক পরিষদ তালিকায় সদস্যের নাম অন্তভূক্তি ছাড়াও তার পূর্নাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত প্রকাশিত হবে; যা সারা বছরজুড়ে নোয়াখালী ওয়েব’র পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়াও নোয়াখালী ওয়েব এর যেসব প্রকাশনা বের হবে সেখানেও পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশিত হবে। (কিন্তু কোন সদস্য ব্যক্তিগত/সামাজিক কিংবা যেকোন কারণে নাম প্রকাশে ইচ্ছুক না হলে নাম প্রকাশ করা হবে না অর্থাৎ সদস্যের ইচ্ছার বাস্তবায়ন করা হবে)
৪। একজন পৃষ্ঠপোষক তার পেশাগত ও সামাজিক কর্মকান্ডের খবরাখবর নোয়াখালী ওয়েব এ প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবেন। তবে নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদকীয় নীতির বাহিরে উদ্দেশ্যমূলক কোন খবর প্রকাশ করবেনা/প্রকাশ করতে বাধ্য হবে না।
৫। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের একজন সদস্য নোয়াখালী ওয়েব এর কমন এ্যাড ক্যাটাগরীতে (নোয়াখালী ওয়েব’র নির্ধারিত জায়গায়) নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা সামাজিক সংগঠনের একটি বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ বিনামুল্যে প্রকাশের সুযোগ পাবেন। এছাড়া নোয়াখালী ওয়েব ম্যাগাজিন/অনলাইনে ৫০% কম মূল্যে বিজ্ঞাপন প্রকাশের সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।
৬। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের একজন সদস্য নিজের যেকোন ব্যবসায়িক/সামাজিক কর্মকান্ডে নোয়াখালী ওয়েবকে ‘অনলাইন মিডিয়া পার্টনার’ হিসাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে লাইভ নিউজ আপডেট কিংবা লাইভ ভিডিও কাস্টিং সুবিধা পেতে হলে অনুষ্ঠানের ধরন বুঝে বিশেষ শর্ত প্রযোজ্য হবে।
৭। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের বাহিরে বৃহত্তর নোয়াখালীর যেকোন লোক নোয়াখালী ওয়েবকে সহযোগিতা করতে পারবেন এ জন্য ওয়েব সাইটের বামপাশে একটি ফরম সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। যেকোন ব্যক্তি ফরমটি ডাউনলোড করে নির্ধারিত ছকে তার সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার সুযোগ পাবেন।
নোয়াখালী ওয়েব’র অফিসিয়াল একাউন্ট:
নোয়াখালী ওয়েব
সি/এ নং-২০৩৫
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ
পল্টন শাখা
ঢাকা।
http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&newsId=8333
পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্যদের করণীয়/সুবিধাঃ
১। একজন পৃষ্ঠপোষক পরিষদ সদস্য নোয়াখালী ওয়েব কে বাৎসরিক ১,২০,০০০/- (একলক্ষ বিশ হাজার টাকা) অনুদান হিসাবে নোয়াখালী ওয়েব এর নামে ক্লিয়ারিং চেক অথবা ব্যাংক ডিপোজিট (ক্যাশ / টিটি) এর মাধ্যমে প্রদান করিবেন।
২। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যদের অনুদানের টাকা বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনার ভিত্তিতে নোয়াখালী ওয়েব এর কারিগরী ব্যবস্থাপনা, টিম ও অফিস ব্যবস্থাপনা, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, জাতীয় পর্যায়ে কমিউনিটির বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক সেমিনার/গোলটেবিল আলোচনা, স্থানীয় পর্যায়ে তিন জেলায় তথ্য প্রযুক্তির উপর সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান, বার্ষিক ক্যালেন্ডার, পোষ্টার এবং স্টিকার প্রকাশ ও বন্টন, টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নোয়াখালী ওয়েব’র সার্বিক কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
৩। অনুদান প্রদানকারী নোয়াখালী ওয়েব’র পৃষ্ঠপোষক পরিবারের একজন সম্মানিত সদস্য হিসাবে মনোনীত হবেন। ফলে নোয়াখালী ওয়েব’র সাইটে পৃষ্ঠপোষক পরিষদ তালিকায় সদস্যের নাম অন্তভূক্তি ছাড়াও তার পূর্নাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত প্রকাশিত হবে; যা সারা বছরজুড়ে নোয়াখালী ওয়েব’র পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়াও নোয়াখালী ওয়েব এর যেসব প্রকাশনা বের হবে সেখানেও পৃষ্ঠপোষক পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশিত হবে। (কিন্তু কোন সদস্য ব্যক্তিগত/সামাজিক কিংবা যেকোন কারণে নাম প্রকাশে ইচ্ছুক না হলে নাম প্রকাশ করা হবে না অর্থাৎ সদস্যের ইচ্ছার বাস্তবায়ন করা হবে)
৪। একজন পৃষ্ঠপোষক তার পেশাগত ও সামাজিক কর্মকান্ডের খবরাখবর নোয়াখালী ওয়েব এ প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবেন। তবে নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদকীয় নীতির বাহিরে উদ্দেশ্যমূলক কোন খবর প্রকাশ করবেনা/প্রকাশ করতে বাধ্য হবে না।
৫। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের একজন সদস্য নোয়াখালী ওয়েব এর কমন এ্যাড ক্যাটাগরীতে (নোয়াখালী ওয়েব’র নির্ধারিত জায়গায়) নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা সামাজিক সংগঠনের একটি বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ বিনামুল্যে প্রকাশের সুযোগ পাবেন। এছাড়া নোয়াখালী ওয়েব ম্যাগাজিন/অনলাইনে ৫০% কম মূল্যে বিজ্ঞাপন প্রকাশের সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।
৬। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের একজন সদস্য নিজের যেকোন ব্যবসায়িক/সামাজিক কর্মকান্ডে নোয়াখালী ওয়েবকে ‘অনলাইন মিডিয়া পার্টনার’ হিসাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে লাইভ নিউজ আপডেট কিংবা লাইভ ভিডিও কাস্টিং সুবিধা পেতে হলে অনুষ্ঠানের ধরন বুঝে বিশেষ শর্ত প্রযোজ্য হবে।
৭। পৃষ্ঠপোষক পরিষদের বাহিরে বৃহত্তর নোয়াখালীর যেকোন লোক নোয়াখালী ওয়েবকে সহযোগিতা করতে পারবেন এ জন্য ওয়েব সাইটের বামপাশে একটি ফরম সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে। যেকোন ব্যক্তি ফরমটি ডাউনলোড করে নির্ধারিত ছকে তার সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার সুযোগ পাবেন।
নোয়াখালী ওয়েব’র অফিসিয়াল একাউন্ট:
নোয়াখালী ওয়েব
সি/এ নং-২০৩৫
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ
পল্টন শাখা
ঢাকা।
http://www.noakhaliweb.com.bd/index.php?cmd=details_news&newsId=8333
বর্ণাঢ্য উৎসবে বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলায় 'নোয়াখালী ওয়েব’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
নোয়াখালী :
বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম, নোয়াখালী জেলার উদ্যোগে বুধবার বিকেল ৫টায় নোয়াখালীতে কেক কেটে উৎসবের আয়োজন করা হয়। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান শেষে বিআরডিবি প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী। এতে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: আলমগীর ইউছুপের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদনা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ, দিগন্ত টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি ও নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদনা পরিষদ সদস্য সাইফুল্যাহ কামরুল। নাঈম উদ্দিন কিছমতের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী ওয়েব’র নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল হোসেন মজনু।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিগন্তের ডাক’র প্রধান নির্বাহী আবু নাছের খান পান্নু, আরটিভি’র নোয়াখালী প্রতিনিধি জামাল হোসেন বিষাদ, নোয়াখালী কম্পিউটার সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক স্বপন শাহ, সাপ্তাহিক ধূমকেতু’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অমৃত লাল ভৌমিক সুমন, নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম নোয়াখালী জেলার আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া রাফি প্রমূখ। এসময় যায়যায়দিন ও বিডিনিউজের নোয়াখালী প্রতিনিধি আবু নাছের মঞ্জু, দেশ টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি আকবর হোসেন সোহাগ, শীর্ষ নিউজ ডটকমের প্রতিনিধি ইয়াকুব নবী ইমন, আবদুল মোতালেব, আবদুস সালাম বাচ্ছু, প্রণব আচার্য্য সহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি অন্যান্যদের সঙ্গে নিয়ে নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনের ৫টি মোমবাতি নিভিয়ে কেক কেটে সবাইকে খাওয়ান এবং সবার মাঝে কেক ও মিষ্টিসহ নাস্তা বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী বলেন, আমার চাকরী জীবনে ১৩স্থানে চাকরী করেছি, তবে নোয়াখালীই একমাত্র ব্যতিক্রম। এখানকার মানুষ গুলো খুবই বন্ধু পরায়ন। আর আজকে একটি ব্যতিক্রমী অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনে শরিক হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। তিনি নোয়াখালী ওয়েব’র সাফল্যা কামনা করে বলেন, এটি ডিজিটাল নোয়াখালী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক মো: আলমগীর ইউছুপ বলেন, নোয়াখালী ওয়েব-এ নোয়াখালীর দৈনন্দিন সংবাদের পাশাপাশি, সাহিত্য সংস্কৃতি ও নিহত গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ করে পাঠকদেরকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তিনি নোয়াখালী ওয়েব’র উন্নতি কামনা করে এ পত্রিকার সম্পাদক ও কলা-কৌশলীদের অভিনন্দন জানান।
সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ বলেন, বর্তমান সরকার গত বছর বাংলাদেশকে ডিজিটাল করার ঘোষণা দিয়েছে। আর আমরা নোয়াখালীবাসী পাঁচ বছর আগে নোয়াখালীকে ডিজিটাল কারার ঘোষণা দিয়ে নোয়াখালী ওয়েব সৃষ্টি করেছি। তিনি এর জন্য নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদক ও প্রকাশক খালেদ সাইফুল্যাহর দীর্ঘয়ু কামনা করেন।
পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক সাইফুল্যাহ কামরুল বলেন, নোয়াখালী ওয়েব শুধু আমাদের নয় সমগ্র নোয়াখালীবাসীর পত্রিকা। এটি নিয়ে আমরা যে কোন জায়গায় গর্ব করতে পারি। তিনি এতে নোয়াখালী সবাইকে নিজ নিজ এলাকার সমস্যা সম্ভাবনা ও উন্নয়ন নিয়ে লিখার আহবান জানান।
ফেনী :
বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম, ফেনী জেলার উদ্যোগে ফেনীতে আলোচনা সভা, র্যালী, কেক কেটে ও বেলুন উডিয়ে আনন্দ উৎসব করেছে পাঠকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ফেনী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম। দৈনিক ফেনীর সময়’র সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফারুক হারুন, ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি একেএম আবদুর রহীম, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক হকার্স সম্পাদক নুরুল করিম মজুমদার, ফেনী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক জহুর সম্পাদক বখতেয়ার ইসলাম মুন্না। নোয়াখালী ওয়েব’র ফেনী প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল-মামুনের পরিচালানায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ওয়েব’র নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল হোসেন মজনু।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সমকালের ষ্টাফ রিপোর্টার শাহজালাল রতন, চ্যানেল আইয়ের ফেনী প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক ফেনীর খবর’র সম্পাদক রবিউল হক রবি, ফেনী প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের আঞ্চলিক অফিস প্রধান মো: আবদুল হক, ফেনী পয়েট সোসাইটির সভাপতি কবি মাহবুব আলতমাস, সাপ্তাহিক বর্ণমালা ও মাসিক সরাসরি’র সম্পাদক আবু তাহের ভূঞা, ফেনী ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলবুল, ফেনী প্রগ্রেসিভ লীগ (এফপিএল) এর সভাপতি কামরুল ইসলাম, কবি ইকবাল চৌধুরী, ফেনী থিয়েটারের সমন্বয়ক কাজী ইকবাল পরান প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সাপ্তাহিক ফেনীর গৌরব’র সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময়ের ফেনী প্রতিনিধি কামাল উদ্দিন ভূঞা, ফেনী সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাবিহ মাহমুদ, দৈনিক যুগান্তরের দাগনভূঞা প্রতিনিধি মো: আবু তাহের, দৈনিক শোয়রবিজ কড়চা’র ফেনী প্রতিনিধি জহিরুল হক মিলুসহ ফেনী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন ও ফেনীর নারী- শিশু সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব গণমানুষের কথা তুলে ধরে বৃহত্তর নোয়খালীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তরা আশা প্রকাশ করেন। তারা বিশ্ব ব্যাপী বৃহত্তর নোয়াখালীর খবর ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যম অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’র প্রশংসনীয় তথ্য সেবাকে অভিনন্দন জানান। অবাধ তথ্য সেবা প্রসারে নোয়াখালী ওয়েব সকলকে পড়তে অনুরোধও করেন। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল বৃহত্তর নোয়াখালী গড়ার লক্ষ্যে নোয়াখালী ওয়েবকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানায়ে এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বিশালাকৃতির একটি কেক কেটে নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনকে উৎসব মূখর করে তোলেন। পরে অতিথিরা একে অপরকে কেক খাইয়ে দিবসটিকে স্বরণীয় করে তোলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কেকসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বিশালাকৃতির একটি বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী ফেনী প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
লক্ষ্মীপুর :
মিলনায়তনে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির একমাত্র অনলাইন পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক নতুন চাঁদ সম্পাদক হোসাইন আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে জন্মদিনের কেক কেটে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদনা পরিষদের সদস্য, নোয়াখালী অঞ্চলের কৃতি সাংবাদিক ও ফিচার লেখক মাহমুদুল হক ফয়েজ। এসময় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে নোয়াখালী ওয়েব’র লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম’র লক্ষ্মীপুর জেলা আহবায়ক মোঃ জাকির হোসেন ভূঁইয়া আজাদ, যুগ্ম আহবায়ক ও ইলেকট্রনিক্স মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল আজিম, নোয়াখালী ওয়েবের প্রবাস প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইফুল হাসান পলাশ, যুগান্তর ও এনটিভি জেলা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক সংগ্রাম জেলা প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন নিজামী, দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম স্বপন, কালের কন্ঠ প্রতিনিধি মীর ফরহাদ হোসেন সুমন, বেসরকারি সংস্থা সেভ’র নির্বাহী পরিচালক বনি রড্রিক্স প্রমূখ।
প্রধান অতিথি বলেন, চলমান সরকারের ভিশন-মিশন বাস্তবায়নে নোয়াখালী ওয়েব অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তথ্যের অবাধ সুফল ছড়িয়ে দিয়ে দেশের জনপ্রিয় এ সাইটটি ইতিমধ্যে দেশে-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।
বনি রড্রিক্স তার বক্তব্যে নোয়াখালী ওয়েবের ষষ্ঠ বর্ষ পেরিয়ে শতবর্ষে পৌঁছার এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে হোসাইন আহমদ হেলাল বলেন, অনলাইন পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’ আজ সর্বমহলে সমাদৃত। তিনি আশা করেন, এটি আরও দায়িত্বশীলতার সাথে এগিয়ে যাবে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য ওয়েব পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন, বেসরকারি সংস্থা জেমস’র নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান চৌধুরী, ভয়েস’র নির্বাহী পরিচালক সামছুল আলম লিটু, এনআরডিএস’র কর্মকর্তা বাহার উদ্দিন, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা ও লক্ষ্মীপুর বার্তার জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, আজকের প্রত্যাশা প্রতিনিধি মোঃ ফিরোজ হাওলাদার, দেশ জনতা প্রতিনিধি আনোয়ার রহমান বাবুল, খবর প্রতিনিধি নুর আহমদ মিলন, ফোকাসবাংলা প্রতিনিধি তাপস সাহা, আলোর দিগন্ত প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন জবু, সোনালী বার্তা প্রতিনিধি একিউএম শাহাব উদ্দিন, সমকাল ও নোয়াখালী ওয়েব’র রায়পুর প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান মনির, কমলনগর প্রতিনিধি সানা উল্লাহ সানু, জাতীয় নিশান প্রতিনিধি ছাইফুল্লাহ হেলাল, আমার কাগজ প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম খান প্রমূখ। শেষে এক বর্ণাঢ্য র্যালী শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
http://www.noakhaliweb.com.bd/ | http://www.noakhaliweb.us/
বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম, নোয়াখালী জেলার উদ্যোগে বুধবার বিকেল ৫টায় নোয়াখালীতে কেক কেটে উৎসবের আয়োজন করা হয়। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান শেষে বিআরডিবি প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী। এতে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: আলমগীর ইউছুপের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদনা পরিষদ সদস্য সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ, দিগন্ত টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি ও নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদনা পরিষদ সদস্য সাইফুল্যাহ কামরুল। নাঈম উদ্দিন কিছমতের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী ওয়েব’র নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল হোসেন মজনু।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিগন্তের ডাক’র প্রধান নির্বাহী আবু নাছের খান পান্নু, আরটিভি’র নোয়াখালী প্রতিনিধি জামাল হোসেন বিষাদ, নোয়াখালী কম্পিউটার সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক স্বপন শাহ, সাপ্তাহিক ধূমকেতু’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অমৃত লাল ভৌমিক সুমন, নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম নোয়াখালী জেলার আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া রাফি প্রমূখ। এসময় যায়যায়দিন ও বিডিনিউজের নোয়াখালী প্রতিনিধি আবু নাছের মঞ্জু, দেশ টিভির নোয়াখালী প্রতিনিধি আকবর হোসেন সোহাগ, শীর্ষ নিউজ ডটকমের প্রতিনিধি ইয়াকুব নবী ইমন, আবদুল মোতালেব, আবদুস সালাম বাচ্ছু, প্রণব আচার্য্য সহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি অন্যান্যদের সঙ্গে নিয়ে নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনের ৫টি মোমবাতি নিভিয়ে কেক কেটে সবাইকে খাওয়ান এবং সবার মাঝে কেক ও মিষ্টিসহ নাস্তা বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী বলেন, আমার চাকরী জীবনে ১৩স্থানে চাকরী করেছি, তবে নোয়াখালীই একমাত্র ব্যতিক্রম। এখানকার মানুষ গুলো খুবই বন্ধু পরায়ন। আর আজকে একটি ব্যতিক্রমী অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনে শরিক হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। তিনি নোয়াখালী ওয়েব’র সাফল্যা কামনা করে বলেন, এটি ডিজিটাল নোয়াখালী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক মো: আলমগীর ইউছুপ বলেন, নোয়াখালী ওয়েব-এ নোয়াখালীর দৈনন্দিন সংবাদের পাশাপাশি, সাহিত্য সংস্কৃতি ও নিহত গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ করে পাঠকদেরকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তিনি নোয়াখালী ওয়েব’র উন্নতি কামনা করে এ পত্রিকার সম্পাদক ও কলা-কৌশলীদের অভিনন্দন জানান।
সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ বলেন, বর্তমান সরকার গত বছর বাংলাদেশকে ডিজিটাল করার ঘোষণা দিয়েছে। আর আমরা নোয়াখালীবাসী পাঁচ বছর আগে নোয়াখালীকে ডিজিটাল কারার ঘোষণা দিয়ে নোয়াখালী ওয়েব সৃষ্টি করেছি। তিনি এর জন্য নোয়াখালী ওয়েব’র সম্পাদক ও প্রকাশক খালেদ সাইফুল্যাহর দীর্ঘয়ু কামনা করেন।
পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক সাইফুল্যাহ কামরুল বলেন, নোয়াখালী ওয়েব শুধু আমাদের নয় সমগ্র নোয়াখালীবাসীর পত্রিকা। এটি নিয়ে আমরা যে কোন জায়গায় গর্ব করতে পারি। তিনি এতে নোয়াখালী সবাইকে নিজ নিজ এলাকার সমস্যা সম্ভাবনা ও উন্নয়ন নিয়ে লিখার আহবান জানান।
ফেনী :
বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম, ফেনী জেলার উদ্যোগে ফেনীতে আলোচনা সভা, র্যালী, কেক কেটে ও বেলুন উডিয়ে আনন্দ উৎসব করেছে পাঠকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ফেনী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম। দৈনিক ফেনীর সময়’র সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফারুক হারুন, ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি একেএম আবদুর রহীম, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক হকার্স সম্পাদক নুরুল করিম মজুমদার, ফেনী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক জহুর সম্পাদক বখতেয়ার ইসলাম মুন্না। নোয়াখালী ওয়েব’র ফেনী প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল-মামুনের পরিচালানায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ওয়েব’র নির্বাহী সম্পাদক ইকবাল হোসেন মজনু।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সমকালের ষ্টাফ রিপোর্টার শাহজালাল রতন, চ্যানেল আইয়ের ফেনী প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক ফেনীর খবর’র সম্পাদক রবিউল হক রবি, ফেনী প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের আঞ্চলিক অফিস প্রধান মো: আবদুল হক, ফেনী পয়েট সোসাইটির সভাপতি কবি মাহবুব আলতমাস, সাপ্তাহিক বর্ণমালা ও মাসিক সরাসরি’র সম্পাদক আবু তাহের ভূঞা, ফেনী ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল বুলবুল, ফেনী প্রগ্রেসিভ লীগ (এফপিএল) এর সভাপতি কামরুল ইসলাম, কবি ইকবাল চৌধুরী, ফেনী থিয়েটারের সমন্বয়ক কাজী ইকবাল পরান প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সাপ্তাহিক ফেনীর গৌরব’র সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময়ের ফেনী প্রতিনিধি কামাল উদ্দিন ভূঞা, ফেনী সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাবিহ মাহমুদ, দৈনিক যুগান্তরের দাগনভূঞা প্রতিনিধি মো: আবু তাহের, দৈনিক শোয়রবিজ কড়চা’র ফেনী প্রতিনিধি জহিরুল হক মিলুসহ ফেনী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন ও ফেনীর নারী- শিশু সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব গণমানুষের কথা তুলে ধরে বৃহত্তর নোয়খালীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তরা আশা প্রকাশ করেন। তারা বিশ্ব ব্যাপী বৃহত্তর নোয়াখালীর খবর ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যম অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব’র প্রশংসনীয় তথ্য সেবাকে অভিনন্দন জানান। অবাধ তথ্য সেবা প্রসারে নোয়াখালী ওয়েব সকলকে পড়তে অনুরোধও করেন। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল বৃহত্তর নোয়াখালী গড়ার লক্ষ্যে নোয়াখালী ওয়েবকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানায়ে এর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বিশালাকৃতির একটি কেক কেটে নোয়াখালী ওয়েব’র জন্মদিনকে উৎসব মূখর করে তোলেন। পরে অতিথিরা একে অপরকে কেক খাইয়ে দিবসটিকে স্বরণীয় করে তোলেন এবং উপস্থিত সবাইকে কেকসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বিশালাকৃতির একটি বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী ফেনী প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
লক্ষ্মীপুর :
মিলনায়তনে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির একমাত্র অনলাইন পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক নতুন চাঁদ সম্পাদক হোসাইন আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে জন্মদিনের কেক কেটে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নোয়াখালী ওয়েবের সম্পাদনা পরিষদের সদস্য, নোয়াখালী অঞ্চলের কৃতি সাংবাদিক ও ফিচার লেখক মাহমুদুল হক ফয়েজ। এসময় এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে নোয়াখালী ওয়েব’র লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী ওয়েব পাঠক ফোরাম’র লক্ষ্মীপুর জেলা আহবায়ক মোঃ জাকির হোসেন ভূঁইয়া আজাদ, যুগ্ম আহবায়ক ও ইলেকট্রনিক্স মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল আজিম, নোয়াখালী ওয়েবের প্রবাস প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইফুল হাসান পলাশ, যুগান্তর ও এনটিভি জেলা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক সংগ্রাম জেলা প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন নিজামী, দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম স্বপন, কালের কন্ঠ প্রতিনিধি মীর ফরহাদ হোসেন সুমন, বেসরকারি সংস্থা সেভ’র নির্বাহী পরিচালক বনি রড্রিক্স প্রমূখ।
প্রধান অতিথি বলেন, চলমান সরকারের ভিশন-মিশন বাস্তবায়নে নোয়াখালী ওয়েব অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তথ্যের অবাধ সুফল ছড়িয়ে দিয়ে দেশের জনপ্রিয় এ সাইটটি ইতিমধ্যে দেশে-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।
বনি রড্রিক্স তার বক্তব্যে নোয়াখালী ওয়েবের ষষ্ঠ বর্ষ পেরিয়ে শতবর্ষে পৌঁছার এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে হোসাইন আহমদ হেলাল বলেন, অনলাইন পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’ আজ সর্বমহলে সমাদৃত। তিনি আশা করেন, এটি আরও দায়িত্বশীলতার সাথে এগিয়ে যাবে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য ওয়েব পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন, বেসরকারি সংস্থা জেমস’র নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান চৌধুরী, ভয়েস’র নির্বাহী পরিচালক সামছুল আলম লিটু, এনআরডিএস’র কর্মকর্তা বাহার উদ্দিন, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা ও লক্ষ্মীপুর বার্তার জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, আজকের প্রত্যাশা প্রতিনিধি মোঃ ফিরোজ হাওলাদার, দেশ জনতা প্রতিনিধি আনোয়ার রহমান বাবুল, খবর প্রতিনিধি নুর আহমদ মিলন, ফোকাসবাংলা প্রতিনিধি তাপস সাহা, আলোর দিগন্ত প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন জবু, সোনালী বার্তা প্রতিনিধি একিউএম শাহাব উদ্দিন, সমকাল ও নোয়াখালী ওয়েব’র রায়পুর প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান মনির, কমলনগর প্রতিনিধি সানা উল্লাহ সানু, জাতীয় নিশান প্রতিনিধি ছাইফুল্লাহ হেলাল, আমার কাগজ প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম খান প্রমূখ। শেষে এক বর্ণাঢ্য র্যালী শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
http://www.noakhaliweb.com.bd/ | http://www.noakhaliweb.us/
‘নোয়াখালী ওয়েব’ এ ৫শ’র অধিক মিডিয়ার লিংক সংযুক্ত
বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকা নিয়ে অনেক লিংক সাইট থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেগুলো আপডেট থাকেনা ফলে পাঠকরা সঠিক লিংক খুঁজে পায় না। এজন্য পাঠকদের সুবিধার্থে বৃহত্তর নোয়াখালী কমিউনিটির পত্রিকা ‘নোয়াখালী ওয়েব’ এর মিডিয়া লিংক পেইজে ৫০০ এর অধিক দেশী-বিদেশী পত্র-পত্রিকা, রেডিও এবং টিভি চ্যানেল এর লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে। নিয়মিতভাবে আপডেট হয় বলে পাঠকরা খুব সহজে এখান থেকে বাংলাদেশের যেকোন পত্র পত্রিকা রেডিও-টিভি-সংবাদ মাধ্যমের সঠিক লিংক খুব সহজে খুঁজে পাবেন। প্রথম পাতায় ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম’ এ ক্লিক করুন অথবা নোয়াখালী ওয়েব’র মিডিয়া পেইজের ঠিকানা : http://www.noakhaliweb.com.bd/media/ Tuesday, October 20, 2009
বৃহত্তর নোয়াখালীর কৃতিসন্তানদের একজন ভাষাসৈনিক গাজীউল হক

ভাষাসৈনিক গাজীউল হকের নাম আমাদের সবার পরিচিত।তিনি একাধারে চিলেন বিপ্লবি,কবি, লেখক, গীতিকার..এবং আইনজীবি। গাজীউল হক ১৯২৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহত্তর নোয়াখালীর ফেনী জেলার ছাগলনাইয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছাড়াও পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অধ্যাপক গোলাম আজমসহ অন্যদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার শহীদ জননী প্রয়াত জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিরও তিনি সক্রিয় সদস্য ছিলেন।১৯৪২ সালে তিনি প্রথম জেলে যান মাত্র ১৩ বছর বয়সে।নোয়াখালির ছাগলনাইয়ার এক সরকারি অফিসের উপর থেকে ব্রিটিশ পতাকা নামিয়ে মুসলিম লীগের পতাকা লাগানোর অপরাধে সে সময় তাঁকে জেলে যেতে হয়।ভাল ছাত্র এবং অল্প বয়সের কারনে সে যাত্রায় চাড়া পান তিনি।তাঁর বাবাও ছিলেন ব্রটিশবিরোধি আন্দোলনের সাথে জড়িত।১৯৫৬ সালে যখন তাঁর বাবা মারা যায় তখনও তিনি ছিলেন জেলে। কেবল ভাষাসৈনিক বললে তাঁর পরিচয়কে খণ্ডিত করা হয়। ভাষাসৈনিক হিসেবে গৌরবের পরিচয়বাহী এ মানুষটি ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েই তাঁর দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করেননি, পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন। এখানেই তাঁর মহত্ত্ব, এখানেই তাঁর সামাজিক প্রতিশ্রুতি পালনে নিষ্ঠার প্রমাণ। এ কারণেই তিনি সবার নমস্য হয়ে উঠেছেন।গাজীউল হকের সৌভাগ্য যে, ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তাই তিনি পাকিস্তানের অপশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পেরেছিলেন। উর্দু চাপিয়ে দেয়ার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার প্রেরণা পেয়েছিলেন অন্তরের তাগিদ থেকে। ওই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র তো ছিল হাজার হাজার। সবাই তো আর ১৪৪ ধারা ভাঙার সাহস করেননি। যে কজন সেই সাহস প্রকাশ করেছেন তাঁদের একজনের নাম গাজীউল হক। উর্দুর বিরুদ্ধে 'না' বলার নেতৃত্বতো আর সবাই দেননি। তা দিয়েছিলেন বলেই তিনি আজ সকলের শ্রদ্ধার পাত্র। কেবল ৫২ নয়, ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৪-এর সামপ্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, আশির দশকজুড়ে সৈরাচারবিরোধি আন্দোলন- সব ক্ষেত্রেই গাজীউল হকের ছিল উলেখযোগ্য ভূমিকা। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা কে না জানে, সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নেয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লড়াকু সৈনিক হিসেবে তাঁর অংশগ্রহণ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও তিনি সম্মানিত। সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ মানুষটিকে আমাদের সময়ে দেখতে পেয়েছি, এটি পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার বলে মনে করি।পেশাগত জীবন তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।তিনি সাধারন মানুষের জন্য নিজের পকেটের টাকা খরচ করে মামালা লড়তেন। কেউ টাকার অভাবে মামালা লড়তে না পারলে তিনি এগিয়ে যেতেন...রাজনীতিতে তিনি জড়িত ছিলেন।আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যও ছিলেন তিনি।এছাড়া গাজীউল হক প্রেস ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) এর চেয়ারম্যান ছিলেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এলএলবি ডিগ্রিও অর্জন করেন।তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, জেলের কবিতা (১৯৫৯), এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম (১৯৭১), এগিয়ে চলো (১৯৭১), বাংলাদেশ আনচেইন্ড (১৯৭১), মোহাম্মদ সুলতান (১৯৯৪), মিডিয়া ল'জ এন্ড রেগুলেশন ইন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের গণমাধ্যম আইন (১৯৯৬)।সর্বশেষ গত বছরের ৭ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ তম সমাবর্তনে তাকে এবং আরেক ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনকে সন্মানসূচক ''ডক্টর অব লজ' ডিগ্রি দেওয়া হয়।এছাড়াও গাজীউল হক তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হন৷ এগুলো- ১৯৭৭ সালে পান পাবনা থিয়েটার পুরস্কার৷ ১৯৭৯ সালে বগুড়া জিলা স্কুলের ১৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে 'বন্ধন'-এর পক্ষ থেকে ভাষাসৈনিক গাজীউল হককে ক্রেষ্ট উপহার দেওয়া হয়৷ ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারি 'সড়ক'-এর পক্ষ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধাঘ্য জানানো হয়৷ ১৯৮৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি 'কমিটি ফর ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ- নিউইর্য়ক' তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায়৷ ১৯৯৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা আন্দোলনে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য 'বাংলাদেশ জাতীয় ব্যক্তিত্ব গবেষণা কেন্দ্র' তাঁকে রাষ্ট্রভাষা পুরস্কার পদক ও সম্মান স্মারক প্রদান করে৷ ১৯৯৭ সালে অন্নদা শংকর রায় কলকাতার পক্ষ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করে৷ ১৯৯৭ সালে বছর 'বগুড়া প্রেস ক্লাব' ভাষাসৈনিকদের সংবর্ধনা দেয়৷ তাঁকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়৷ ১৯৯৭ সালে 'চট্টগ্রাম ইয়ুথ কয়ার' ( বইমেলা ) থেকে ৭ মার্চ তিনি ভাষাসৈনিক পদক পান৷ ১৯৯৭ সালে বগুড়ার ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাঁকে অর্পণ নামে একটি ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ ১৯৯৯ সালের ২৬ নভেম্বর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে জীবনব্যাপী নিষ্ঠা ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলা একাডেমী থেকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ অর্জন করেন৷ তিনি সিপাপ জাতীয় স্বর্ণপদক পান৷ ১৯৯৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি 'আমরা সূর্যমুখী'র পক্ষ থেকে তাঁর ৭১তম জন্মদিনে নাগরিক সম্মাননা দেওয়া হয়৷ 'কারক নাট্য সম্প্রদায়'-এর ১২ বছর পূর্তিতেও তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়৷ ২০০০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনে গৌরবময় ভূমিকার জন্য সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট তাঁকে সকৃতজ্ঞ অভিনন্দন জানায়৷ এছাড়া ২০০০ সালে ভাষা আন্দোলনের পঞ্চাশ বৎসর পূর্তি উপলক্ষে সিলেট ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা পরিষদ তাঁকে ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা দেয়৷ এবছরই তিনি বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন এর উপদেষ্টা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা স্মারক পান৷ ১২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদও তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে৷ ভাষা আন্দোলনের স্থপতি সংগঠন তমদ্দুন মজলিস-এর পক্ষ থেকে মাতৃভাষা পদক পান৷ 'দি ইনস্টিটিউট অব চার্টাড এ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ' তাঁকে ২১ ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ ২০০০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদানের জন্য 'আমরা সূর্যমুখী'র পক্ষ থেকে তাঁকে ৭৩তম জন্মবার্ষিকীতে নাগরিক সম্মাননা দেয়৷ 'মাতৃভাষা সৈনিক পরিষদ'এর পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা প্রদান করা হয়৷ ২০০০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার' তাঁকে 'একুশে পদক' পুরস্কারে ভূষিত করেন৷ ২০০০ সালের ১০ জুলাই পান 'বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন' পুরস্কার ৷ ২০০১ সালে ফেনী সমিতির পক্ষ থেকে তাঁকে 'ফেনীর কৃতি সন্তান' হিসেবে গুণীজন সংবর্ধনা দেওয়া হয়৷ ২০০১ সালেই একাত্তরের ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির পক্ষ থেকে 'জাহানারা ইমাম পদক' পান৷ ২০০২ সালে 'সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট' 'ভাষা আন্দোলনের-সুবর্ণ জয়ন্তী' উপলক্ষে তাঁকে একটি ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ এ বছর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করে৷ ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের পক্ষ থেকে 'বঙ্গবন্ধু পদক' পান৷ ২০০৪ সালে 'বাংলাদেশ জাতীয় ব্যক্তিত্ব গবেষণা কেন্দ্র'-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে 'বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন-২০০৪'৷ ২০০৪ সালে পান 'শের-ই-বাংলা জাতীয় পুরস্কার' ৷ ২০০৫ সালে শিক্ষা ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য 'মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কার' পান৷ ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন-এর ৭ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তাঁকে ক্রেষ্ট উপহার দেয়৷ আমাদের দেশের এবং জনগনের অকৃত্তিম বন্ধু, ভাষা আন্দোলনের অন্যতম এ প্রাণপুরুষকে একুশে পদক দিয়ে সরকার তাঁর ঋণ শোধের কিছুটা চেষ্টা করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়ে তাঁর প্রতি যথার্থ সম্মান দেখিয়েছে। বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে এবং ভাষা আন্দোলনের সব সৈনিককে এরকম সম্মান জানালে আমরা খুশি হবো। উনার প্রতি রইলো অনেক অনেক শ্রদ্ধা...রইলো অনেক ভালবাসা...এবং কখোনো ভুলে যাব না এমন ওয়াদা।যতদিন বাংলার মাটিতে স্বাধীনতাপ্রেমি শেষ ব্যাক্তিটি রইবে ততদিন আমরা তোমাদের ভুলব না...
নোয়াখালী ওয়েব ‘আলোকিত মানুষ’ পর্ব থেকে প্রকাশিত, ২০ অক্টোবর ২০০৯।
http://www.noakhaliweb.com.bd/
নোয়াখালী ওয়েব ‘আলোকিত মানুষ’ পর্ব থেকে প্রকাশিত, ২০ অক্টোবর ২০০৯।
http://www.noakhaliweb.com.bd/
Thursday, July 2, 2009
অনলাইন পত্রিকা 'নোয়াখালী ওয়েব'র ৫ম বর্ষে পদার্পন
৫ম বর্ষে পদার্পন করল অনলাইন পত্রিকা নোয়াখালী ওয়েব। বৃহত্তর নোয়াখালীর স্থানীয় ও দেশ বিদেশে এ অঞ্চলের কমিউনিটির মানুষদের তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৫ সালের ১ জুলাই পত্রিকাটি তাদের প্রকাশনা শুরু করেছিল। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত এ্যালাক্সা র্যাংকিং অনুসারে নোয়াখালী ওয়েব বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন পত্রিকা। আঞ্চলিক ও কমিউনিটির খবরের পাশাপাশি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক খবরও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করায় পত্রিকাটি ইতোমধ্যে সর্বমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও সফলভাবে চার বছর পূর্ণ করতে পারার জন্য পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক এর পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
নোয়াখালী ওয়েব'র ঠিকানা : http://www.noakhaliweb.com.bd/
এছাড়া ৫ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে ফেইসবুকে ও ইউটিউব এ নোয়াখালী ওয়েবের ঠিকানা চালু করা হয়েছে যেখানে পাঠকরা অতি সহজে তাদের মতামতসহ ভিডিও শেয়ারিং করতে পারবেন। ঠিকানাগুলো হল :
www.facebook.com/noakhaliweb
www.youtube.com/noakhaliweb
সাম্প্রতিক দৈনিক পত্রিকায় নোয়াখালী ওয়েব এর খবর
www.youtube.com/noakhaliweb
সাম্প্রতিক দৈনিক পত্রিকায় নোয়াখালী ওয়েব এর খবর
Monday, June 8, 2009
চার বছর পূর্ণ করল অনলাইন পত্রিকা 'নোয়াখালী ওয়েব'
বৃহত্তর নোয়াখালীর স্থানীয় ও দেশ বিদেশে এ অঞ্চলের কমিউনিটির মানুষদের তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদ প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৫ সালের জুন মাসে চালু হওয়া অনলাইন পত্রিকা 'নোয়াখালী ওয়েব' তাদের চতুর্থ বর্ষ পূর্ণ করল। বর্তমানে নোয়াখালী ওয়েব আঞ্চলিক ও কমিউনিটির খবরের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবরও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করছে ফলে অনলাইন পত্রিকাটি ইতোমধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। নতুন বছরে পত্রিকাটির ব্যাপক আধুনিকায়ন হবে বলে জানিয়েছেন এর উদ্যোক্তা ও সম্পাদক খালেদ সাইফুল্যাহ। পত্রিকাটির মান উন্নয়নে বৃহত্তর নোয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করা হয়েছে। এর ওয়েব ঠিকানা http://www.noakhaliweb.com.bd/
দৈনিক প্রথম আলো (০৮ জুন ২০০৯)
http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTU5NDAz&mid=MTE=
মতামত জানাতে হ্যালো : ০১৯১৬৫৫৩৩৬৬, ০১৬১৬৫৫৩৩৬৬, ইমেইল : editor@noakhaliweb.com.bd
সাম্প্রতিক খবর :
দৈনিক প্রথম আলো (০৮ জুন ২০০৯)
http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTU5NDAz&mid=MTE=
দৈনিক ইত্তেফাক (০২ জুন ২০০৯)
http://www.ittefaq.com/content/2009/06/02/news0060.htm
http://www.ittefaq.com/content/2009/06/02/news0060.htm
Subscribe to:
Posts (Atom)







